এইচএসসি ও সমমানের বিশেষ পরীক্ষায় দেশজুড়ে অনুপস্থিত ২ হাজার ৪৭৭ পরীক্ষার্থী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে গত ১৩ জুলাই এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা পরীক্ষার্থীদের জন্য আয়োজিত বিশেষ এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারা দেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলা এই বিশেষ পরীক্ষায় সব মিলিয়ে ২ হাজার ৪৭৭ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। 

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি সূত্রে জানা গেছে, দেশের নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে থাকা ১২২টি কেন্দ্রে মোট ৬৮ হাজার ৮৪৯ জন পরীক্ষার্থীর অংশ নেওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে পরীক্ষা দিয়েছেন ৬৬ হাজার ৭৯৮ জন এবং অনুপস্থিত ছিলেন ২ হাজার ৫১ জন। অনুপস্থিতির এই পরিসংখ্যানে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড, যেখানে অনুপস্থিত ছিলেন ২ হাজার ৩৫ জন পরীক্ষার্থী।

বোর্ডভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঢাকা বোর্ডের ২৬ জন এবং দিনাজপুর বোর্ডের ৬ জন পরীক্ষার্থীর সবাই কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। অন্যদিকে রাজশাহী বোর্ডে ৩৭ জনের মধ্যে ৩৪ জন (অনুপস্থিত ৩), কুমিল্লায় ২৫ জনের মধ্যে ২০ জন (অনুপস্থিত ৫), যশোরে ১২ জনের মধ্যে ১১ জন (অনুপস্থিত ১), সিলেটে ৯ জনের মধ্যে ৬ জন (অনুপস্থিত ৩), বরিশালে ৩ জনের মধ্যে ২ জন (অনুপস্থিত ১) এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে নিবন্ধিত ৬ জনের মধ্যে ৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন।

একই দিন মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের স্থগিত পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। ৩৭টি কেন্দ্রের মাধ্যমে আয়োজিত এই পরীক্ষায় মোট ৮ হাজার ৫৫৯ জন পরীক্ষার্থীর বিপরীতে ৮ হাজার ১৩৩ জন উপস্থিত ছিলেন এবং ৪২৬ জন অনুপস্থিত ছিলেন। পুরো পরীক্ষা পরীক্ষা চলাকালে কোনো বোর্ডেই কোনো পরীক্ষার্থী বহিষ্কার বা কোনো পরিদর্শককে বহিষ্কারের তথ্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, গত ১৩ জুলাই বৈরী আবহাওয়ার কারণে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যার প্রথম পত্রসহ মাদরাসা বোর্ডের ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র এবং কারিগরি বোর্ডের ম্যানেজমেন্ট পরীক্ষা ব্যাহত হয়েছিল। যারা ওইদিন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারেননি, মূলত তাদের ক্ষতি পুষিয়ে দিতে পুনর্নিবন্ধনের মাধ্যমে আজকের এই বিশেষ পরীক্ষার সুযোগ করে দেয় শিক্ষা বোর্ডগুলো। সেই ধারাবাহিকতায় আজ দেশের নির্ধারিত কেন্দ্রগুলোতে এসব পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।