সাভারের আশুলিয়ায় স্বামীকে আটকে রেখে এক মারমা গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় শনিবার রাতে ঐ গৃহবধূ আশুলিয়া থানায় তিন ধর্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এর আগে ঈদের পরদিন গত মঙ্গলবার আশুলিয়ার ডেন্ডাবর এলাকার নতুন পাড়া-মহল্লায় ভুক্তভোগীর নিজ বাসায় এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন পাবনা জেলার আটঘরিয়া থানার পাইকপাড়া গ্রামের মন্টু মিয়ার ছেলে রনি (২১), ডেন্ডাবর এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা খোরশেদ আলম খোকনের ছেলে জয় (২৩) ও ফরিদপুর জেলার শামীম (২৬)। এদের মধ্যে রনিকে আটক করেছে পুলিশ। অন্যরা পলাতক রয়েছে।
মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী গৃহবধূ মারমা নৃগোষ্ঠীর হওয়ায় তাদের ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে বাড়িতে মাঝে মাঝে চোলাই মদ তৈরি করতেন। বিষয়টি জানতে পেরে অভিযুক্ত রনি, জয় ও শামীম গত ১৩ আগস্ট ভুক্তভোগীর বাড়ি গিয়ে মদ তৈরি করার অভিযোগ তুলে চাঁদা দাবি করে। একপর্যায়ে ওই দম্পতির কাছ থেকে তারা নগদ ১০ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। পরে তাদের কাছে আরও ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। এত টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় ঐ ৩ অভিযুক্ত গৃহবধূর স্বামীকে পাশের কক্ষে আটকে রেখে তাকে ধর্ষণ করে।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিজাউল হক দিপু জানান, ধর্ষণের শিকার নারীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসাপতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেফতারকৃত যুবককে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদেরও আটক করার জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।