শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে রাতের আঁধারে তিনটি ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রির প্রস্তুতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও এর আগেই জবাই করা ঘোড়ার মাংস ফেলে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা। পরে ঘটনাস্থল থেকে মাংসের নমুনাসহ বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দিবাগত রাত একটার দিকে উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের পশ্চিম ভালুকা এলাকার ফরহাদের বাড়ির পেছনে ফুলহারি নামের স্থানে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, রাত সাড়ে ১২টার দিকে কয়েকজন ব্যক্তি ওই এলাকায় তিনটি ঘোড়ার মাংস কাটছিলেন। তাদের দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা এগিয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা পালিয়ে যান। এ সময় সেখানে আরও তিনটি ঘোড়া বাঁধা অবস্থায় দেখা যায় বলে দাবি করেন তারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পশ্চিম ভালুকা গ্রামের গুতামিয়া নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রির সঙ্গে জড়িত। বৃহস্পতিবার রাতেও জবাই করা ঘোড়ার মাংস অন্যত্র নেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল বলে তাদের অভিযোগ। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।
খবর পেয়ে ঝিনাইগাতী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জবাই করা ঘোড়ার মাংসের নমুনাসহ প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করে। পরে অবশিষ্ট মাংস মাটিচাপা দেওয়া হয়।
অভিযোগের বিষয়ে গুতামিয়ার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
ঝিনাইগাতী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কানাই চন্দ্র লাল চক্রবর্তী বলেন, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। সেখানে ঘোড়ার মাংসের আলামত পাওয়া গেছে এবং নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পুলিশ পৌঁছানোর আগেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা পালিয়ে যান।
তিনি বলেন, বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। ঘোড়া জবাই ও মাংস বিক্রির সঙ্গে কারা জড়িত, তা তদন্ত করে শনাক্তের চেষ্টা চলছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।