পূর্বাচল উপশহরে বেড়াতে যাওয়া মেহেদী হাসান নামে এক কিশোরকে হত্যার পর মরদেহ গাছের গুঁড়িতে (ভারী বস্তু) বেঁধে লেকের পানিতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে খোদ তার বন্ধুদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সর্বশেষ রোববার (৩০ আগস্ট) পূর্বাচলের ৩০০ ফিট সড়কের আলমপুর ভুঁইয়া ব্রিজ সংলগ্ন লেকের মেহেদীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- তুহিন (১৮) ও আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ (১৮)।
পুলিশ জানায়, গত ২৮ আগস্ট শুক্রবার সকালে পূর্বাচল উপশহরে গাজীপুর জেলা সদরের হাতিয়ারো মোড়লপাড়া এলাকার পাঁচ বন্ধুর সঙ্গে মেহেদী হাসান বেড়াতে আসে। পূর্বশত্রুতার জেরে কৌশলে মেহেদী হাসানকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে পূর্বাচলের ৭ নম্বর সেক্টরের আলমপুর এলাকায় ভুঁইয়া ব্রিজ সংলগ্ন লেকের পানির নিচে কাঠের গুঁড়ির সঙ্গে বেঁধে ফেলে রাখে। সর্বশেষ ওই এলাকায় মেহেদী হাসানের মোটরসাইকেল পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।
এদিকে মেহেদী হাসানের স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দিগন্তের খোঁজ শুরু করেন। রাতে তার সন্ধান না পেয়ে গত রোববার ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল লেকের পানির নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই শান্ত ইসলাম রাব্বি পাঁচজনকে আসামি করে রূপগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার এজাহারে তুহিন (১৮), আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ (১৮), ইমন (১৮), শ্রাবন পলান (১৮) ও সাব্বির হোসেন ওরফে সোহাগকে (১৮) আসামি করা হয়েছে। তাদের সবার বাড়ি গাজীপুর জেলা সদরের হাতিয়াবো মোড়লপাড়া গ্রামে।
রূপগঞ্জ থানার ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় মামলা রুজু করা হয়েছে। গ্রেপ্তার দুজনকে নারায়ণগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে।