চামড়ার বিষয়টি নিয়ে ভাবা প্রয়োজন

একটি জুতোর দাম যেখানে হাজার টাকার ওপরে, সেখানে একটি চামড়া ১০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করতে হয়েছে। চামড়া বিক্রি করতে না পেরে মাটিতে পুঁতে ফেলার মতো ঘটনা ঘটেছে। ফেলে দেওয়া হয়েছে পানিতে, নদীতে এবং এতে করে পরিবেশ দূষিত হয়েছে এবং এখনো হচ্ছে। চামড়া অর্থনীতির সঙ্গে জড়িয়ে আছে মাদ্রাসা, মক্তব ও এতিমখানার অর্থ যোগানের একটি বড় দিক! সব দিক বিবেচনায় চামড়া নিয়ে যেভাবে পরিকল্পনার দরকার ছিলো তা তো হয়ইনি বরং যা হলো তা সত্যিই খুব হতাশার। অর্থনৈতিক গতিশীলতার জন্য দেশীয় অর্থনৈতিক উপাদানগুলোকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। চামড়াকে এখন গুরুত্ব দেওয়ার সময় এসেছে। সরকারের  উচিত দেশীয় চাহিদা পূরণ করে তা রপ্তানির ব্যবস্থা করা। কাঁচা চামড়া সংরক্ষণের জন্য আলাদা ব্যবস্থা সরকারকেই নিতে হবে। যাতে এ সময় লবণের দাম না বাড়ে সে ব্যাপারে আগে থেকেই পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। ট্যানারি মালিকদের চাহিদা জানা থাকলে কতোটা রপ্তানি করা যাবে তা নির্ধারণ করা সহজ হবে। 

সাঈদ চৌধুরী, শ্রীপুর, গাজীপুর