সেনবাগে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত ৩০, আটক ৪

সেনবাগের ছাতারপাইয়ায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে অনন্ত ৩০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার ছাতারপাইয়া-সোনাইমুড়ী প্রধান সড়কে এই ঘটনা ঘটে। এসময় ছাতারপাইয়া বাজারের সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও ছাতারপাইয়া-সোনাইমুড়ী সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। হামলাকারীরা ইউপি সদস্য গোলাপের মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং আশপাশের ১০টি বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে সেনবাগ থানা পুলিশ ও সোনাইমুড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ছয় রাউন্ড গুলিবর্ষণ এবং লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ ঘটনায় সামছু, মন্নান, মুন্না ও সাখাওয়াতকে আটক করা হয়েছে।

উভয় গ্রুপের গুরুতর আহতরা হলেন—রাসেল, রাজু, বাসার, মারুফ, রোমান, ছালাউদ্দিন, নুর মোহাম্মদ, রিয়াজ, মহরম, বশির ও মাছুম। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে সোনাইমুড়ী, বজরা ও নোয়াখালীর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার ছাতারপাইয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ড্রাইভার লাভলু ও ১ নম্বর ওয়ার্ডে মাওলার নের্তৃত্বে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। খেলা শেষ হাওয়ার আগ পর্যন্ত লাভলুর টিম ২-০ গোলে এগিয়ে থাকে। গোল দেওয়াকে কেন্দ্র করে বাগিবতণ্ডার একপর্যায়ে খেলাটি পণ্ড হয়ে যায়। এর জের ধরে রাতে দফায় দফায় হামলার ঘটনা ঘটে। গতকাল সকালে দুই গ্রামবাসীর শালিসে বসার কথা থাকলেও ৪ নম্বর ওয়ার্ডের রিক্সাচালক মারুফকে ১ নম্বর ওয়ার্ডের লোকজন মারধর করলে এ সংঘর্ষ বাঁধে।

সেনবাগ থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুল আলী পাটোয়ারী বলেন, সোনাইমুড়ী থানার ওসি আবদুস সামাদের নেতৃত্বে পুলিশ ৬ রাউন্ড গুলি বর্ষণ এবং দুই থানার পুলিশ লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ ঘটনায় চার জনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।