হামজাকে দেখতে অপেক্ষা করতে হবে

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম ম্যাচেই হামজা চৌধুরীকে দেখতে পারবেন না বাংলাদেশের ফুটবল দর্শক। তিনি আসতে পারবেন না ফিফার নিয়মের কারণে। তার ক্লাব হামজাকে ফিফা উইনডোর আগে ছাড়বে না। সাফে ভুটানের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ পড়বে। 

কোচ বাস্তবতা মেনে নিয়েছেন। কোচ থমাস ঢুলি বিশ্বকাপ ফুটবলে খেলেছেন। তিনি জানেন ফিফার উইনডোর আগে ক্লাব তার খেলোয়াড়কে ছাড়বে না। সাফ যখন শুরু হবে তখনো ফিফা উইনডো শুরু হতে সময় লাগবে। বছরে পাঁচবার ক্লাবগুলো জাতীয় দলের জন্য খেলোয়াড় ছাড়ে, সেটি ফিফা উইনডোতে। কোচ জানিয়েছেন, হামজা হয়তো ৯ তারিখের আগেই চলে আসবেন। তবে হামজা দ্বিতীয় ম্যাচের আগেই ঢাকায় দলের সঙ্গে যোগ দিবেন। এই সময় প্রবাসী অন্যান্য ফুটবলাররাও দলের সঙ্গে যোগ দিবেন।

গতকাল ঢাকায় থাকার পরও একাধিক ফুটবলারের ক্যাম্পে যোগ দেওয়া নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে বসুন্ধরা কিংসের ফুটবলারদের ক্যাম্পে যোগ দেওয়া নিয়ে সংশয় সৃষ্টি হয়েছিল। কারণ সাফের জন্য জাতীয় দলের ম্যানেজারের নাম আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি বাফুফে। তাদের কথায় ক্লাব তার ফুটবলার ছাড়বে। 

জানা গেছে, আমিরুল ইসলাম বাবু ফোন করেছিলেন বসুন্ধরা কিংসের কর্মকর্তাদেরকে। কিন্তু তারা নাকি কেউ ফোন ধরেননি। কিংসের কর্মকর্তারা বাবুকে পছন্দ করেন না। তা ছাড়া বাবুর কথায় কেনই বা তারা খেলোয়াড় ছাড়বে, ক্যাম্পে পাঠাবে। এমন পরিস্থিতিতে ঊর্ধ্বতনদের উদ্যোগে বসুন্ধরা তাদের খেলোয়াড় ছেড়েছে এবং সন্ধ্যা পর্যন্ত সোহেল রানা ক্যাম্পে যোগ দেননি বলে জানায় ক্যাম্প সূত্রের খবর। 

শুধু এখানেই শেষ নয়। খেলোয়াড় ছাড়ার ব্যাপারে বাফুফে সময়মতো ক্লাবগুলোকে চিঠি দেয়নি বলে একাধিক ক্লাবের অভিযোগ। অথচ কোচ থমাস ঢুলি জানিয়েছেন, তিনি অনেক আগেই তালিকা বাফুফেকে দিয়ে রেখেছিলেন। কোচ গতকাল জানিয়েছেন, তিনি কখনোই সব খেলোয়াড়কে একসঙ্গে ক্যাম্পে পাননি।