এখন থেকে আমেরিকায়ও মিলবে বাংলাদেশের তৈরি ওয়ালটনের ইলেকট্রনিকস ও আইসিটি পণ্য। এ লক্ষ্যে আজ রাজধানীর ওয়ালটনের করপোরেট অফিসে বাংলাদেশি ইলেকট্রনিকস জায়ান্ট ওয়ালটনের সঙ্গে চুক্তি করেছে আমেরিকার বিশ্বখ্যাত ই-কমার্স জায়ান্ট অ্যামাজন। এই চুক্তির মাধ্যমে ওয়ালটন ব্র্যান্ডের বিভন্ন পণ্য অ্যামাজনের প্ল্যাটফরম ব্যবহার করে বিশ্বব্যাপী বিক্রয় করা হবে।
সব ধরনের ওয়ালটন পণ্য নিতে পারবে অ্যামাজন। তবে প্রাথমিকভাবে আমেরিকার বাজারে ওয়ালটনের ল্যাপটপ, কম্পিউটার, মোবাইল ফোন ও হোম অ্যাপ্লায়েন্স বিক্রি হবে।
অ্যামাজন বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার শশাঙ্ক পান্ডে এবং ওয়ালটনের নির্বাহী পরিচালক ও কম্পিউটার পণ্য বিভাগের প্রধান নির্বাহী লিয়াকত আলী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিপত্রে সই করেন। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে তৈরি ট্যামারিন্ড ইএক্স মডেলের নতুন একটি ওয়ালটন ল্যাপটপের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
এ উপলক্ষ্যে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ওয়ালটন নিঃসন্দেহে বিশ্বমানের পণ্য তৈরি করছে। ইতিমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তাদের পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। আজকের এই চুক্তির মাধ্যমে ওয়ালটন ব্র্যান্ডের বিভন্ন পণ্য অ্যামাজনের প্ল্যাটফরম ব্যবহার করে বিশ্বব্যাপী বিক্রি করা হবে। তিনি বলেন, এটি বাংলাদেশের ইলেকট্রনিকস খাতের জন্য একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। সরকার ওয়ালটনের এই অগ্রযাত্রায় সব ধরনের সহায়তা করবে।
বাংলাদেশ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মধ্যম আয়ের দেশে প্রবেশের দ্বারপ্রান্তে রয়েছি। ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত বাংলাদেশ গড়ার যে ভিশন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিয়েছেন, সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। তরুণদের জন্য মেধাভিত্তিক, প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তুলতে হবে। এজন্য ওয়ালটনের মতো কোম্পানিগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশি পণ্য এখন থেকে আমেরিকার বাজারে পাওয়া যাবে। প্রতিমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহকে এগিয়ে আসার আহ্বান যানান।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম আশরাফুল আলম, ওয়ালটন ডিজি টেকের চেয়ারম্যান এস এম রেজাউল আলম এবং উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।