সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের ফিফা উইন্ডোতে ব্রাজিল, উরুগুয়ে ও পানামার বিপক্ষে তিনটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করেছিল ভারত। এই আয়োজন করতে গিয়ে বড় অঙ্কের আর্থিক ঘাটতিতে পড়েছে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন (এআইএফএফ)।
ঘরের মাঠে লাতিন আমেরিকার এই তিন দলকে আতিথেয়তা দিতে গিয়ে ৮০ থেকে ৮৫ কোটি রুপি ক্ষতির মুখে এআইএফএফ। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১১২ কোটি টাকা। এই আর্থিক ঘাটতি সামাল দিতে ফেডারেশনের স্থায়ী আমানত (এফডিআর) ভাঙানোর প্রস্তাব দেন এআইএফএফ সভাপতি কল্যাণ চৌবে। তবে সেই প্রস্তাবে আপত্তি জানিয়েছেন ফেডারেশনের সদস্যরা। শেষ পর্যন্ত বিশেষ সাধারণ সভায় (এসজিবিএম) প্রস্তাবটি আটকে যায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রাজ্য ফুটবল সংস্থার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়াকে (পিটিআই) বলেন, ‘হ্যাঁ, তিনি (চৌবে) বলেছেন, আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচগুলো আয়োজনের কারণে যে আর্থিক ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তা পূরণ করতে তিনি এআইএফএফের ফিক্সড ডিপোজিট (এফডিআর) ভেঙে অর্থ উত্তোলন করতে চান। পরে তিনি (চৌবে) এ কথাও জানান যে বাইরের বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থের ব্যবস্থা করবেন তিনি। এফডি থেকে উত্তোলন করা অর্থ পরে ফেরত দেবেন।’
তবে আর্থিক ঘাটতির সঠিক পরিমাণ বৈঠকে উপস্থিত সদস্যদের জানানো হয়নি। ওই কর্মকর্তা জানান, ম্যাচগুলোর আর্থিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত চুক্তিতে গোপনীয়তার শর্ত থাকায় এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রকাশ করা সম্ভব নয়।
ফেডারেশন সদস্যদের কয়েকজনের মতে, জরুরি পরিস্থিতি ছাড়া এআইএফএফের স্থায়ী আমানতের অর্থ ব্যবহার করা উচিত নয়। অনলাইন সভায় এআইএফএফের সহ-সভাপতি এনএ হারিসও প্রস্তাবটির বিরোধিতা করেন। তিনি জানান, ফেডারেশনের নির্বাহী কমিটি আগেই স্থায়ী আমানত না ভাঙানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।