জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রায় মানুষের ঢল

চট্টগ্রামে জন্মাষ্টমী উদ্যাপন পরিষদ-বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির তত্ত্বাবধানে জন্মাষ্টমী  শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার চট্টগ্রামের আন্দরকিল্লা চত্বর থেকে  শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সনাতন সম্প্রদায়ের শিশু, মহিলা, বৃদ্ধ থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন, মঠ মন্দিরের নেতৃবৃন্দ শোভাযাত্রায় অংশ নেন। শোভাযাত্রাটি আন্দরকিল্লা থেকে লালদিঘী, কোতোয়ালী, নিউমার্কেট, তুলসীধাম, ডিসি হিল, চেরাগী পাহাড় হয়ে জে.এম.সেন হল প্রাঙ্গণে পৌঁছায়।

শোভাযাত্রার আহবায়ক অলক দাশের সভাপতিত্বে এতে আশীর্বাদক ছিলেন ঋষিধাম অধিপতি ও তুলসীধামের মোহন্ত মহারাজ শ্রীমত্ স্বামী সুদর্শনানন্দ পুরী মহারাজ। বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন চট্টগ্রামস্থ ভারতীয় সহকারি হাই কমিশনার অনিন্দ্য ব্যানার্জী। অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন, সিএমপি কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমানসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। ২য় পর্বে দুপুর ১টায় উত্সব মঞ্চে পান্না পালের সভাপতিত্বে মাতৃসম্মেলন উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম রামকৃষ্ণ মিশনের অধ্যক্ষ শ্রীমত্ শক্তিনাথানন্দজী মহারাজ।  

নোয়াখালী প্রতিনিধি জানান, জেলা হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের আয়োজনে গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেলা শহর মাইজদীর দেবালয় থেকে এক বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক তন্ময় দাস। শোভাযাত্রাটি জেলা শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মাইজদী বাজার শ্রী শ্রী রাম ঠাকুর আশ্রম  হয়ে দেবালয়ে গিয়ে শেষ হয়। একই সময় শহরের দত্তের হাট ইস্কন মন্দির থেকে অপর একটি শোভাযাত্রা  এসে মিলিত হয়। এর আগে দেবলায় মন্দির প্রাঙ্গণে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, সকাল ৯টায় এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে।  শোভাযাত্রায় ২০টি গাড়িতে করে রাধাকৃষ্ণের সাজে অংশ নেন ভক্তরা। বিভিন্ন সংগঠনের পৃথক ব্যানারে আয়োজিত শোভাযাত্রাতে উপস্থিত ছিলেন হাজার হাজার সনাতন ধর্মাবলম্বী। 

পটিয়া (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা জানান, সকালে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পটিয়া সদরের থানার মোড় চত্বর থেকে এক মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। পরে শোভাযাত্রাটি মহাসড়কের পটিয়া সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে থানার মোড় গৌরাঙ্গ নিকেতনে এসে শেষ হয়।