এএফসি প্রতিসপ্তাহে তাদের সেরা গোলের তালিকা প্রকাশ করে। বাংলাদেশের ফুটবলার সোহেল রানা এসপ্তাহে এশিয়ার সেরা গোলের তালিকায় উঠেছেন। সেরা গোলদাতা হয়েছেন। গত বুধবার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে এএফসি কাপ ফুটবলে ইন্টার জোন সেমিফাইনালের হোম ম্যাচে আবাহনী চার-তিন গোলে উত্তর কোরিয়ার এপ্রিল টোয়েন্টি ফাইভ দলকে হারিয়েছিল। সেই পাঁচ গোলের প্রথম গোলটি ছিল মিডফিল্ডার সোহেল রানা। সেই ম্যাচের ৩৩ মিনিটে আবাহনীর জোরাল আক্রমণ থামিয়ে দিয়েছিলেন কোরিয়ান ডিফেন্ডার। কিন্তু বল গড়িয়ে গিয়েছিল আবাহনীর স্ট্রাইকার নাবীব নেওয়াজ জীবনের পায়ে। জীবন খুব সূক্ষ্মভাবে বলটা ঠেলে দেন সোহেল রানার পায়ে। সোহেল রানা অসাধারণ একটি শটে গোল করেন। যা দেখে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের দর্শক অবাক হয়ে যান। শুধু তাই নয়। এই গোলটি এএফসির ওয়েবসাইটে দর্শক জরিপে শীর্ষস্থান করে নেয়। দর্শক ভোটে ২৬০৮৮ ভোট পেয়ে সেরা গোলের সম্মাননা পেয়েছেন সোহেল রানা। এর আগে এএফসি কাপের গ্রুপ পর্বের খেলায় ঢাকার মাঠে নেপালের মানাং মারসিয়াংদীর বিপক্ষে মামুনুল ইসলামের গোলটি দর্শক জরিপে সেরা গোলের খাতায় নাম উঠে। সপ্তাহের সেরা গোল হিসেবে মামুনুল এই সম্মাননা পেয়েছিল। সোহেল রানা গোলটি নিয়ে মামুনুল বললেন, ‘এতে প্রমাণ হয় বাংলাদেশের ফুটবলারদের মান আছে। যারা বলেন এদেশের ফুটবলারদের মান নেই তারা দেখলে বুঝতে পারবেন এত উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই।’ আবাহনীর হাইতিয়ান ফরোয়ার্ড বেলাফোট সোহেল রানার গোলটি নিয়ে বললেন,‘এ ধরনের গোল অনুশীলন মাঠে প্রায়ই করে থাকেন সোহেল রানা। আপনারা খেয়াল করলে দেখবেন লিগের ম্যাচেও তাঁর এমন গোল রয়েছে।’ যিনি সপ্তাহের সেরা গোলের খেতাব পেলেন সেই সোহেল রানার ভেতরে বাড়তি কোনো উত্তেজনা দেখা গেল না। অনুশীলনেই মনোযোগ বেশি। তারপরও প্রশ্ন সোহেল রানাকে। বলেন, ‘আমি আর কি বলব। আমি চেষ্টা করেছি। হয়ে গেছে। এমন গোল প্র্যাকটিস মাঠেও করি। সবচেয়ে বড়ো কথা হচ্ছে দলের সবাই আমাকে সহযোগিতা করছে বলেই তো ভালো কিছু হচ্ছে।’ গতকাল বিকালে আবাহনী টেন্টে সোহেল রানার গোলটি নিয়ে দারুণ উত্তেজনা কাজ করছিল।