ধারাবাহিকতা ও টেকসই মডেল চায় সিলেট

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নতুন শুরু হবে আসন্ন সপ্তম আসর থেকে। নতুন চুক্তি, নতুন করে সবকিছু ঠিক করা হবে। নতুন চুক্তির আগে দলগুলোর সঙ্গে বসছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। প্রতিদিনই কোনো না কোনো দল বিসিবিতে এসে মিটিং করে যাচ্ছে। গতকাল এসেছিল সিলেট সিক্সার্স।

সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতসহ সিলেট সিক্সার্সের কর্মকর্তারা এসেছিলেন মিরপুর স্টেডিয়ামে। বিসিবির কর্মকর্তাদের সঙ্গে মিটিং করেছেন তারা। পরে সিলেটের প্রধান নির্বাহী ইয়াসির ওবায়েদ বলেছেন, বিপিএল আয়োজনের ধারাবাহিকতা চান তারা। বিপিএলের একটি টেকসই মডেল তৈরির কথা বলেছেন তারা। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স, রাজশাহী কিংসের মতো রেভিনিউ শেয়ারিং নিয়ে কথা বলেছে সিলেটও। সর্বোপরি নিজেদের প্রস্তাবগুলো বিসিবিকে লিখিত আকারে পাঠাবে দলটি।

গতকাল মিরপুর স্টেডিয়ামে ইয়াসির ওবায়েদ বলেছেন, ‘আমরা মূলত আমাদের কিছু পর্যবেক্ষণ দিয়েছি। গ্রাউন্ডসের ব্যাপারে আমরা কিছু বলেছি। রেভিনিউয়ের ব্যাপারে কথা বলেছি। আসলে অনেকগুলো দলই হয়তো রেভিনিউয়ের ব্যাপারে আলাপ করেছে অনেকভাবে। এখন আমরা আমাদের যা বক্তব্য আছে, আমরা যেটা করবো সেটি হলো একটি লিখিত বিবৃতি বিসিবির কাছে পেশ করবো আমাদের প্রস্তাবসহ।’

বিপিএলের আয়োজনে সামগ্রিকভাবে ধারাবাহিকতা চায় সিলেট সিক্সার্স। গতকাল দলটির প্রধান নির্বাহী বলেছেন, ‘শুধু রেভিনিউ না, ডিরেক্ট সাইনিং, এরপর প্লেয়ার্স রিটেনশন, চার বছরের জন্য অন্য বছরগুলোতে, এবার কিভাবে হবে আবার অন্য বছরগুলোতে কিভাবে করে হবে, মূলত আমরা চাই ধারাবাহিকতা। একটা টেকসই মডেল, ধারাবাহিকতা। কারণ দলগুলো চালানোর জন্য সবাই অনেক অর্থ ব্যয় করে। এগুলোকে একসঙ্গে কোঅর্ডিনেট করে চালিয়ে নিয়ে যাওয়া চার বছরের জন্য—এটি বেশ কঠিন একটা কাজ।’

আর্থিকভাবে বিসিবির কাছে ঋণী ছিল সিলেট। গতকাল আর্থিক বিষয়ে বিসিবির সঙ্গে আলাপ হয়েছে বলে দাবি করেন ইয়াসির ওবায়েদ। তবে বিপিএল আয়োজনে বিসিবির সঙ্গে কাজ করে যেতে চায় সিলেট। তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করছি পুরো টুর্নামেন্টটিকে সফল করার জন্য, যেটি বিগত দিনে হয়ে এসেছে। আগামীতে যেন এটি আরো সুন্দরভাবে হতে পারে, আরো সাজানো-গোছানোভাবে হতে পারে সেই লক্ষ্যে কাজ করবো।’