ডিসির অনৈতিক কাজে ক্ষুব্ধ জামালপুরবাসী

গত ২৩ আগস্ট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের খাস কামরায় এক নারী অফিস সহায়কের সঙ্গে জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীরের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ঘটনায় সারা জেলায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। জামালপুর জেলা জুড়ে বইছে নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ঘটনাটির ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ডিসির এই অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জামালপুর জেলার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের অভিযোগে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে জামালপুরবাসী। দ্রুত নিরপেক্ষ বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। তবে ঐ ভিডিওটি বানানো বলে দাবি করেছেন জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর।

জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মুহম্মদ বাকী বিল্লাহ বলেন, প্রশাসনিকভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত করে বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।          জামালপুর নাগরিক আন্দোলনের আহ্বায়ক মানবাধিকার কর্মী জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, জেলা প্রশাসকের এ ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে সরকারি-বেসরকারি অফিস-আদালতগুলোতে কাজ করতে নারী কর্মীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবেন।

শিক্ষক সমিতির নেতা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ এই ন্যক্কারজনক ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দেশের প্রচলিত আইনে জড়িতদের শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

স্থানীয় রাজনীতিক অধ্যাপক আমীরউদ্দিন বলেন, বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় একজন জেলা প্রশাসক এ ধরনের ঘটনা ঘটাতে পারেন। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ তাকে দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি। এ ব্যাপারে জেলা জাসদের সভাপতি জাহিদ হাবীব বলেন, ন্যক্কারজনক এ ঘটনা ঘটিয়ে জেলা প্রশাস