আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বলেছেন, একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মাস্টারমাইন্ডদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
আওয়ামী লীগের সাবেক মহিলা বিষয়ক সম্পাদক এবং মহিলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আইভি রহমানের ১৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে গতকাল বনানী কবরস্থানে তার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন, গ্রেনেড হামলার মাস্টারমাইন্ড হলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাকে দেশে ফেরাতে সরকারের উদ্যোগের কমতি নেই।
আইভি রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী গতকাল যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। সকালে বনানীতে আইভি রহমানের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাতের মাধ্যমে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন আওয়ামী লীগের নেতারা।
ওবায়দুল কাদের বলেন, গণতন্ত্রের সংগ্রামে আইভি রহমান ছিলেন আপসহীন। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে নারীদের একজন নক্ষত্র। গ্রেনেড হামলায় আইভি রহমান রক্তাক্ত অবস্থায় কাতরাচ্ছিলেন। কিন্তু সময়মতো চিকিত্সা পাননি। চিকিত্সায় বিলম্ব না হলে হয়তো তিনি বেঁচে যেতেন।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ইনাম আহমেদ চৌধুরী, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম, দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, নির্বাহী সদস্য এবি এম রিয়াজুল কবির কাওসার, স্থানীয় সংসদ সদস্য আকবর হোসেন পাঠানসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগরের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তর ও দক্ষিণ, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, যুব মহিলা লীগ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটসহ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতারা তাদের নিজ নিজ সংগঠনের পক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে আইভি রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
এদিকে গতকাল বাদ আসর পরিবারের পক্ষ থেকে আইভি কনকর্ড টাওয়ারে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। ঐ মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং মরহুমের শুভাকাঙ্ক্ষীরা শরিক হন।