নিজেই হতাশ লোকেশ রাহুল

আফগানিস্তানের বিপক্ষে একটা ফিফটি করেছিলেন। আর ওভালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৪৯ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। এই দুটো ইনিংস বাদ দিলেন ২০১৮ সালের শুরু থেকে ভারতীয় ওপেনার লোকেশ রাহুলের পারফরম্যান্স একেবারেই খারাপ। এই সময়ে মাত্র ২৩-এর কাছাকাছি গড়ে ৫৫৯ রান করতে পেরেছেন।

লোকেশ রাহুলের জন্য সবচেয়ে হতাশার ব্যাপার হলো, এই সময়ে তিনি অনেকগুলো ইনিংসে তিরিশ থেকে পঞ্চাশের ভেতর আউট হয়েছেন। বড় স্কোর পাননি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চলমান টেস্টেও দুই ইনিংসে ৪৪ ও ৩৮ রান করেছেন। আরো দুবার শুরু করেও বড় ইনিংস খেলতে পারেনি। এই না পারার হতাশা পোড়াচ্ছে রাহুলকে।

নিজের এই অপ্রাপ্তি নিয়ে বলতে গিয়ে তরুণ ওপেনার বলছিলেন, ‘আমি খুবই হতাশ। তবে আমি মাঠে অনেক কিছুই ঠিকঠাকমতো করছি। অনেক ইতিবাচক ব্যাপারও আছে। আমাকে এখন আসলে আমার মাথা নিচু রাখতে হবে এবং কিছু ধৈর্য ধরতে হবে। আমি যে ৩৫ বা ৪৫ রানের কাছাকাছি ইনিংসগুলো খেলছি, এগুলোকে বড় করতে হবে। আমি ব্যাটিং ভালো করছি। আমি দুই ইনিংসেই যতক্ষণ ব্যাটিং করেছি, স্বস্তিতে ছিলাম। আমি অনেক কিছু নিয়েই স্বচ্ছন্দে আছি। এখন স্রেফ আমাকে ধৈর্য ধরে ব্যাটিং করে যেতে হবে। আমি প্রথম ৬০ বা ৮০ বলে যেমন ব্যাটিং করছি, এরকম যদি ২০০ বা ২৫০ বল খেলতে পারি, তাহলে আমার ও দলেরই উপকার হবে। আমি এই ব্যাপারটাই পরের ম্যাচে করতে হবে।’

লোকেশ রাহুলের এই করতে পারার সামর্থ্য নিয়ে কারো সংশয় থাকার কথা নয়। তার টেকনিক নিয়েই কারো প্রশ্ন নেই। কিন্তু রাহুল নিজে বলছিলেন, রান না পেলে এসব টেকনিক বা এসব ব্যাপারের তেমন কোনো মূল্য নেই, ‘টেকনিক বা এসব ব্যাপার একটু অতি মূল্যায়িত বলে আমার মনে হয়। আপনি যখন রান পাবেন, তখন দেখে সবকিছু সুন্দর মনে হবে। ফলে আমার জন্য জরুরি হলো, উইকেটে আরো সময় কাটানো। আমার কখনো মনে হয়নি যে, আমার টেকনিকে নাটকীয় কোনো পরিবর্তন হয়েছে। এটা আসলে সেই অধ্যায়গুলোর একটা, যেটার ভেতর দিয়ে ব্যাটসম্যানদের যেতে হয়। আপনি যখন এই সময়ে থাকবেন, তখন এখান থেকে বের হওয়া খুব কঠিন। এ জন্যই আমরা খেলা চালিয়ে যাই। ইন্ডিয়া ‘এ’ দল বা অন্যান্য দলের হয়েও আমি খেলছি। যাতে আত্মবিশ্বাসটা ফিরে পাই।’