ফ্রান্সে শিল্পোন্নত দেশগুলোর সংস্থা গ্রুপ অব সেভেনের (জি-৭) সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিভিন্ন ইস্যুতে মিত্রদের মতবিরোধ প্রকাশ্যে এসেছে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মিত্রদের সঙ্গে সুম্পর্ক বজায় রয়েছে। কিন্তু চীনের সঙ্গে বাণিজ্য বিরোধ তো সবার কাছেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। খবর সিএনএন ও রয়টার্সের
বিরোধ প্রকাশ্যেই
ফ্রান্সের বিয়ারিেস আয়োজিত জি-৭ সম্মেলনে মূলত ইরান, উত্তর কোরিয়া, চীন এবং রাশিয়া নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিত্রদের বিরোধ সামনে এসেছে। ফ্রান্স ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা হ্রাসে মধ্যস্থতা করার ভূমিকা পালন করার কথা জানিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এটা সমর্থন করেও আবার বলেছেন, তিনি নিজের পদক্ষেপগুলো নিয়ে সামনের দিকে যাবেন। ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি বাতিলের পর থেকেই ইউরোপীয় নেতারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স জানিয়েছে, সম্মেলনে ইইউ নেতারা একমত হয়েছেন যে, ফ্রান্সই ইরানের কাছে সঠিক বার্তাটি পৌছে দেবে। যদিও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, তিনি তেহরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করবেন। আর ইইউ নেতাদের সঙ্গে তার এ বিষয়ে আলোচনা হয়নি।
উত্তর কোরিয়ার স্বল্পপাল্লার ক্ষেপনাস্ত্র পরীক্ষা নিয়েও জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। জি-৭ জোটে ফের রাশিয়াকে অন্তর্ভূক্ত করা নিয়েও মিত্রদের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের। আবার ব্রেক্সিট নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে সমর্থন করে বলেছেন, বরিস সঠিক পথেই যাচ্ছেন। ইইউ ছাড়লে ব্রিটেনের সঙ্গে ওয়াশিংটনের বড় চুক্তি হবে বলেও জানান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তার সঙ্গে বৈঠকের আগে বরিস জনসন জানিয়েছিলেন, তিনি চীনের সঙ্গে বাণিজ্য যুদ্ধ থেকে সরে আসতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে আহবান জানাবেন। গতকাল এক টুইট বার্তায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, মিত্র দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে ভাল আলোচনা হয়েছে। তাদের সঙ্গে সম্পর্কও ভাল। অর্থনৈতিকভাবে আমাদের দেশ ভাল করছে।