সংসদ সদস্য শওকত চৌধুরীর আয় বেড়েছে দেড়গুণ

পাঁচ বছরে সংসদ সদস্য শওকত চৌধুরীর আয় বেড়েছে প্রায় দেড়গুণ। আর ঢাকায় কিনেছেন নতুন সাতটি ফ্লাট। দশম সংসদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নীলফামারী-৪ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জাতীয় পার্টি সমর্থিত শওকত চৌধুরী। সংসদে তিনি বিরোধীদলীয় হুইপ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

দশম সংসদ নির্বাচনে শওকত চৌধুরীর ব্যাংকে গচ্ছিত টাকার পরিমাণ ছিল ১০ লাখ তিন হাজার টাকা। বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৩০ হাজার ৫০০ টাকা। হলফনামায় তা উল্লেখ করেছেন তিনি।

সংসদ সদস্য চৌধুরী জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যানও। দলে বেশ প্রভাবশালী তিনি। সেই সূত্র ধরে একাদশ সংসদে লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী হয়েছেন। তবে এবার দলেই রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ। একই আসনে দলের চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচএম এরশাদের ভাগ্নে আহসান আদেলুর রহমানও লাঙ্গলের দাবিদার হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

শওকত চৌধুরী হলফনামায় উল্লেখ করেছেন গত পাঁচ বছরে তাঁর বিরুদ্ধে নীলফামারী জজ আদালতে চারটি, ঢাকার অষ্টম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতে একটি, সপ্তম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতে একটি, সিএমএম আদালতে একটি, অর্থঋণ আদালত-৪ এ একটি ও দুদকের তিনটিসহ মোট ১১টি মামলা রয়েছে। তবে দশম সংসদ নির্বাচন চলাকালে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো মামলা ছিল না বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়। হলফনামায় নিজ নামে একটি মোটরকার ও একটি ল্যান্ড ক্রুজার জীপের মালিকানা দেখানো হয়। যার মূল্য ৮১ লাখ ৪৯ হাজার ৫০০ টাকা। দশম সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় এক্ষেত্রে দেখানো হয়েছিল একটি টয়োটা জীপ ও একটি  মোটরকারের মালিক তিনি। যার মূল্য ছিল ৬৪ লাখ ২৫ টাকা মাত্র। এ ছাড়াও দশম সংসদের হলফনামায় সৈয়দপুরে তাঁর তিনতলাবিশিষ্ট একটি বাড়ি, রংপুরে একটি ও ঢাকায় দুইটি ফ্লাট উল্লেখ করা হয়েছিল। সৈয়দপুর ও রংপুরের বাড়ির সংখ্যা না বাড়লে ঢাকায় তার বর্তমান ফ্লাটের সংখ্যা ৯টি।