সাঁথিয়া উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের হেড কেরানির (উচ্চমান সহকারী) ঘুষ গ্রহণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার ঘটনায় তাকে ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মর্জিনা খাতুনকে গত ২০ আগস্ট কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন পাবনা প্রাথমিক কর্মকর্তা খন্দকার মুনসুর রহমান। এ ঘটনায় দৈনিক ইত্তেফাকে ২১ আগস্ট সংবাদ প্রকাশের পর রবিবার জেলা প্রাথমিক কর্মকর্তা এক পরিপত্রে শিক্ষা অফিসের হেড কেরানির (উচ্চমান সহকারী) গোলজার হোসেনকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের পিটিআইতে বদলি করেন। রবিবার এ সংক্রান্ত তথ্য জানান উপজেলা শিক্ষা অফিসের উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার আব্দুল রাজ্জাক।
ঘুষ গ্রহণকারী গোলজারের বদলিতে উপজেলার সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন বলে জানান সোনাতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হান্নান ও হাটবাড়িয়া স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুল বাতেন। এদিকে উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্লিপ গ্রান্টের বরাদ্দের টাকা যথাসময়ে স্ব-স্ব স্কুলে প্রদান না করে নিজে লাভবান হবার জন্য নিজ হিসেবে রাখায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মর্জিনা খাতুনকেও কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন পাবনা প্রাথমিক কর্মকর্তা খন্দকার মুনসুর রহমান। তিনি বলেন, উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে বদলি বা শাস্তি আমি দিতে পারি না। তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট বিভাগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। আমার দায়িত্বে থাকা উচ্চমান সহকারী গোলজার হোসেনকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ বদলি করা হয়েছে। গত ২১ আগস্ট দৈনিক ইত্তেফাকে “শিক্ষা অফিসের ঘুষ গ্রহণের ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়।