খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলিতে তিন সন্ত্রাসী নিহত

খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর টহল দলের সঙ্গে গোলাগুলিতে তিন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে তিনটি অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়। গতকাল সোমবার জেলার দিঘীনালা উপজেলার বরাদম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন নবীন জ্যোতি চাকমা, বজেন্দ্র চাকমা ও তরুণ চাকমা। এরা পার্বত্য শান্তিচুক্তি বিরোধী পাহাড়ি সংগঠন ইউপিডিএফ এর সশস্ত্র শাখার সদস্য বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে। 

সেনা সূত্র জানায়, গতকাল সকাল ১০টার দিকে দিঘীনালা উপজেলার বরাদম এলাকায় সাত-আট জন সশস্ত্র সন্ত্রাসীর উপস্থিতির খবর পেয়ে দিঘীনালা সেনা জোন থেকে সেনাবাহিনীর একটি টহল দল উক্ত এলাকায় পৌঁছায়। সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা গুলিবর্ষণ শুরু করে। সেনাবাহিনীও আত্মরক্ষার্থে পালটা গুলিবর্ষণ করে। আনুমানিক ১০-১৫ মিনিট গুলি বিনিময়ের পর সন্ত্রাসীরা ঐ স্থান থেকে পালিয়ে যায়। পরে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে তিন জনের মৃতদেহ, ৮ রাউন্ড গুলিসহ ২টি পিস্তল, ৪ রাউন্ড গুলি ও ২ রাউন্ড খালি খোসাসহ একটি আমেরিকান এম-৪ অটোমেটিক কার্বাইন পড়ে থাকতে দেখে। বিষয়টি দিঘীনালা থানাকে অবগত করা হলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিনটি মরদেহ ও অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত শুক্রবার রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে নানিয়ারচর উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শক্তিমান চাকমা, ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) এর প্রতিষ্ঠাতা তপন জ্যোতি চাকমা এবং বাঘাইছড়িতে নির্বাচনী কর্মকর্তাসহ এইট মার্ডার মামলার অন্যতম আসামি শান্তিময় চাকমা ওরফে সুমন চাকমা ওরফে লাকির বাপ নামে এক সন্ত্রাসী সেনাবাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়।