কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় কিশোরী রিমাকে গণধর্ষণের পর হত্যার বিচার থমকে গেছে। এ ঘটনায় র্যাব সদস্যরা পিয়াস নামে একজন আসামি ধরে পুলিশের হাতে দিলেও পাকুন্দিয়া থানা পুলিশ মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে আর কোনো আসামি ধরছে না বলে অভিযোগ করেছে নিহতের পরিবারসহ এলাকাবাসী। গতকাল সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটে নিহতের মা আঙ্গুরা বেগম সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন। একই সঙ্গে মামলার তদন্তের দায়িত্ব পুলিশের পরিবর্তে পিবিআই অথবা র্যাবের কাছে হস্তান্তরের দাবি জানান রিমার মা।
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার জামাইল গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের মেয়ে নবম শ্রেণীর ছাত্রী স্মৃতি আক্তার রিমা (১৪) পার্শ্ববর্তী পাকুন্দিয়া থানার গাংধোয়ারচর গ্রামের নানাবাড়িতে বেড়াতে গেলে গত ১৭ জুলাই রাতে দুর্বৃত্তরা তাকে গণধর্ষণের পর হত্যা করে। হত্যার পর দুর্বৃত্তরা তার লাশ গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে পালিয়ে যায়।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, এ ঘটনায় জড়িত আসামি জাহিদ, পিয়াস, রোমান, পিয়াস ও রাজুর মধ্যে পিয়াসকে র্যাব গ্রেফতার করে। র্যাবের কাছে পিয়াস ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকারও করেছে। পরে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতেও সে আদালতে স্বীকার করে। ময়নাতদন্তকারী চিকিত্সক ডা. সজিব ঘোষ আসামিদের পক্ষ নিয়ে রিপোর্টে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করেছেন বলেও অভিযোগ করেন রিমার মা। সংবাদ সম্মেলনে রিমার মা প্রশ্ন করেন, গাছে ঝোলানো রিমার দুই হাঁটু ভাঙ্গা অবস্থায় মাটিতে লেগে ছিল। তাহলে এটা আত্মহত্যা হয় কিভাবে?