গত ২৭ আগস্ট দৈনিক ইত্তেফাকে ‘হাজিদের সাথে প্রতারণা মক্কা-মদিনাতেও’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন স্বাক্ষরিত প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, বিচ্ছিন্ন দু-একটি ঘটনাকে সাধারণীকরণ বা ঢালাওভাবে সমালোচনা করা অনভিপ্রেত। চলতি ২০১৯ সালে ৫৯৮টি বেসরকারি হজ এজেন্সি ১ লাখ ২৯ হাজার হাজি ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করেছে। তন্মধ্যে দুই-চারটি এজেন্সির হাজি সেবা প্রক্রিয়ায় ত্রুটি থাকতেই পারে। তবে তা অহেতুক বড় করে দেখিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি কোনোভাবে কাম্য হতে পারে না। হাজিদের আবাসিক হোটেলের মান বা দূরত্ব সম্পর্কে ২০১৯ সালের অভিযোগ সংখ্যা অতীতের যে কোনো সময়ের তুলনায় নগণ্য। যে ৫৬টি অভিযোগ বাংলাদেশ হজ অফিসে দাখিল হয়েছে তার অধিকাংশ ভুল বোঝাবুঝির কারণে। বাংলাদেশ হজ অফিসে অভিযোগ করে প্রতিকার না পাওয়ার বিষয়টি সঠিক নয়। ২৪ ঘণ্টা সরকারি কর্মকর্তারা রোস্টার-মাফিক সর্বত্র হাজিদের প্রয়োজনে ডিউটি করেছেন।
প্রতিবেদকের বক্তব্য—
প্রকাশিত প্রতিবেদনে মনগড়া কোনো তথ্য পরিবেশন করা হয়নি। হজ থেকে যারা ফিরে এসেছেন এমন অনেক হাজি ইত্তেফাকে ফোন করে এবং সশরীরে এসে তাদের দুর্দশা, দুর্ভোগ ও প্রতারণার কথা বলেছেন। হযরত শাহজালাল বিমান বন্দরে নেমে প্রতারণার শিকার অনেক হাজি কান্নায় ভেঙে পড়ছেন। সাংবাদিকদের কাছে অসাধু হজ এজেন্সির বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ করেছেন। এসব হাজিদের অভিযোগ ও তাদের বক্তব্যগুলো নিয়ে প্রতিবেদন করা হয়। এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর বহু হাজি ফোন করে এবং সশরীরে এসে অনেক এজেন্সির বিরুদ্ধে আরো প্রামাণ্য ফিরিস্তি দিচ্ছেন। এজেন্সির প্রতারণায় মক্কা-মদিনায় কিভাবে তাদের ভয়াবহ দুর্ভোগে পতিত হতে হয় তা বর্ণনা করছেন হাজিরা।