কাউখালী (পিরোজপুর) সংবাদদাতা
কাউখালী উপজেলায় আমন ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। আষাঢ়ের অনাবৃষ্টির কারণে আমনের আবাদ নিয়ে বিপাকে পড়ে ছিল চাষিরা। তবে শ্রাবণ মাসের শুরু থেকে ভাদ্র মাস প্রথম পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির দেখা মিলেছে এই উপজেলায়।
শ্রাবণের বর্ষায় আকাশের ভারী বর্ষণ পেয়ে আমন চাষাবাদের এই ভরা মৌসুমে বুকভরা আশা নিয়ে মাঠে নেমে পড়েছেন চাষিরা। আর আমনের জমিতে চাষাবাদেই এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। তবে একসঙ্গে জমি চাষাবাদের কারণে বেড়েছে শ্রমিকের মজুরি। এই নিয়ে কিছু কিছু কৃষকের মধ্য রয়েছে কিছুটা হতাশাও।
শ্রমিক হানিফ মিয়া বলেন, তার দলে আট জন শ্রমিক আছে। হঠাত্ বৃষ্টিতে কাজের চাপ বেড়েছে। প্রতি বিঘা জমিতে ৪ হাজার টাকা চুক্তিতে তারা চারা রোপণ করে থাকে।
কাউখালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলী আজিম শরীফ জানান, কাউখালীতে চলতি মৌসুমে ৪ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে আমনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর আমনের চারা তৈরি করা হয়েছে ৭৯০ হেক্টর জমিতে। যা গেল বছরের তুলনায় অনেক বেশি।
তিনি আরো জানান, কৃষি বিভাগের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা নিরলসভাবে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন। বন্যা বা আপদকালে যাতে আমনের চারা সংকট না হয়, সেজন্য চারা তৈরি করে রাখতে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং বড়ো কোনো ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা বিপর্যয় না হলে উপজেলায় আমন ধানের বাম্পার ফলন হবে বলে আশাবাদী এই কর্মকর্তা।