মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী শাহ্ মোয়াজ্জেম হোসেনকে বিএনপির একটি পক্ষ অবাঞ্ছিত ঘোষণার চার ঘণ্টার মধ্যেই সহিংসের ঘটনা ঘটেছে। সিরাজিদখান উপজেলার কুচিয়ামোরা থেকে পাথারঘাটা যাওয়া পথে মুখে শনিবার বিকাল ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে সেচ্ছাসেবক দলের বাসাইল ইউপি সভাপতি রাজিবসহ (২৮) অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম পিপিএম জানান, অবাঞ্ছিত ঘোষণার পর শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন বাইসল ইউপির পাথরঘাটা মাঠে কর্মীসভা করতে যাচ্ছিলেন সাতটি গাড়ির বহর নিয়ে। এই সময় পাথরখাটা সড়কটির মুখে কুচিয়ামোরায় আসতেই আব্দুল্লাহ পক্ষের লোকজন হামলা চালায়। এতে সংর্ঘষ বেধে যায়। এতে বহরের শাহ্ মোয়াজ্জেম হোসেনের গাড়িসহ ৫টি গাড়ি কমবেশি ভাঙচুর হয়। তবে শাহ্ মোয়াজ্জেম হোসেন অক্ষত রয়েছেন। পরে কর্মসূচিটি স্থগিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
বিএনপির প্রার্থী শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন সাংবাদিকদের জানান, কুচিয়ামোড়া কলেজ হয়ে পাথার ঘাটা যাওয়ার পথে জয় বাংলা শ্লোগান দিয়ে গাড়িতে হামলা চালানো হয়। দুর্বৃত্তরা আমার ব্যক্তিগত গাড়িসহ ৫টি গাড়ি ভাঙচুর করেছে। আমার ১২জন কর্মী সমর্থক আহত হয়েছেন। তাদেরকে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শী শাহ মোয়াজ্জেম হোসেনের প্রেস সেক্রেটারি সাইফ আলী খান বলেন, আমরা সরাসরি কাউকে দোষারোপ করছি না, তবে ১৫/২০টি মোটরসাইকেলে করে আগে থেকে ওঁৎপেতে থাকা সশস্ত্র একদল যুবক নৌকার শ্লোগান দিয়ে এই হামলা চলায়। তবে তারা নৌকার সমর্থক না আব্দুল্লাহর লোক তা আমরা জানি না।
আরো পড়ুনঃ মনোনয়ন না দেওয়ায় বিএনপির গুলশান কার্যালয় ভাঙচুর
এ ব্যাপারে সিরাজদিখান থানার ওসি মো. ফরিদ উদ্দিন জানান, এটি বিএনপির অন্তকলহ। দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। পরিস্থিত এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত প্রার্থী শেখ মো. আব্দুল্লাহ এই বলেছেন, এই হামলার সঙ্গে তার কোনো নেতাকর্মী জড়িত নন।
উল্লেখ্য, দুপুর পৌনে একটার নিমতলীতে সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনোনয়ন বঞ্চিত শেখ মো. আব্দুল্লাহর সমর্থক বিএনপির বড় একটি পক্ষ শাহ মোয়াজ্জেম হোসেনকে সিরাজদিখান তথা মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে।
ইত্তেফাক/কেকে