স্পোর্টস ডেস্ক
টেস্ট র্যাংকিংয়ের দুই নম্বর ব্যাটসম্যান তিনি। শেষ যে তিনটা ইনিংস খেলেছেন তার দুটোতেই সেঞ্চুরি। একটাতে ৯২ রান। সব মিলিয়ে রান ৩৭৮। এমন একজন ব্যাটসম্যানের অভাব অপূরণীয়ই।
হেডিংলি টেস্টে সেই স্টিভেন স্মিথের অভাব হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। তবে, আসছে চার সেপ্টেম্বর ম্যানচেস্টারে শুরু হতে যাওয়া সিরিজের চতুর্থ টেস্টে তিনি ফিরছেন। আর আবারাও অস্ট্রেলিয়ার স্মিথ-নির্ভরশীলতা ফিরে আসছে।
ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে ব্যাট হাতে বড় ইনিংস খেলতে পারেননি অস্ট্রেলিয়ার সাবেক এই অধিনায়ক। তবে, জোফরা আর্চারের সেই বাউন্সারের রেশ যে এখন আর নেই সেটা প্রমাণ হয়ে গেছে। তাই, চতুর্থ টেস্টে ফিরতে তার কোনো বাধা নেই।
অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক টিম পেইনও তাই স্মিথের ব্যাটের দিকে তাকিয়ে আছেন। তিনি বলেন, ‘স্মিথ আগামী ম্যাচে দলে ফিরছেন। সুতরাং গত ম্যাচের দল থেকে অবশ্যই কাউকে বাদ পড়তে হবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যান আপনার লাইন আপে যুক্ত হচ্ছে। আমরা জয়ের জন্য ওর দিকেই তাকিয়ে আছি। তবে, স্মিথ না খেলায় হেডিংলির ম্যাচ জয়ে আমাদের কোনো সম্ভাবনা ছিল, আমি এমনটা মনে করি না। আমি মনে করি অনেকেই ঐ টেস্টে হিসেবের বাইরে রেখেছে আমাদের। তাই বলব, স্মিথ ফেরায় আমরা সঠিক ট্র্যাকে ফিরছি।’
স্মিথ প্রস্তুতি ম্যাচে নিজেদের মেলে ধরতে না পারলেও তার পরীক্ষার ম্যাচে বড়ো জয়ই পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচে ডার্বিশায়ারকে ইনিংস ও ৫৪ রানের বড়ো ব্যবধানে হারিয়েছে অসিরা। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চতুর্থ টেস্টের আগে জয় দিয়ে বেশ ভালোভাবে প্রস্তুতি সেরে নিল অস্ট্রেলিয়া।
নিজেদের মাটিতে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে ১৭২ রানে অলআউট হয় ডার্বিশায়ার। এরপর তিন ব্যাটসম্যানের হাফ সেঞ্চুরিতে ৫ উইকেটে ৩৩৮ রানে নিজেদের ইনিংস ঘোষণা করে অস্ট্রেলিয়া। ফলে প্রথম ইনিংস থেকে ১৬৬ রানের লিড পায় অসিরা। এই ইনিংসে ব্যাট হাতে নেমে ৩৮ বলে ২টি চারে ২৩ রান করেন স্মিথ।
প্রথম ইনিংসে বড়ো ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে ১১২ রানে অলআউট হয় ডার্বিশায়ার। অস্ট্রেলিয়ার মিচেল স্টার্ক ৩৯ রানে ৪টি ও পিটার সিডল-মিচেল মার্শ ২টি করে উইকেট নেন। প্রথম ইনিংসে ১ ওভার বল করে ৫ রান দেন স্মিথ।