ভূমি জটিলতা নিরসনে ভুক্তভোগীদের গণশুনানি গ্রহণ

টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার ১৪টি মৌজার ভূমি জটিলতা নিরসনে ভূমি মন্ত্রণালয়ের গঠিত উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল ভুক্তভোগীদের গণশুনানি গ্রহণ ও সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন। এতে অংশ নিতে সকাল থেকে হাজারও ভুক্তভোগী ভূমি মালিকরা উপজেলা পরিষদ মাঠে তাদের দাবি-দাওয়ার জমির প্রয়োজনীয় দলিল দস্তাবেজ নিয়ে জড়ো হন। রবিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত শুনানি গ্রহণ ও সরেজমিন পরিদর্শনের কার্যক্রম চলে। 

ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (আইন) আনিস মাহমুদের নেতৃত্বে ওই কমিটি ভুক্তভোগীদের শুনানি গ্রহণ করেন। এ সময় জেলা ও উপজেলার বনবিভাগের কর্মকর্তা, জরিপ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাসহ ভুক্তভোগী ভূমি মালিকেরা উপস্থিত ছিলেন। 

উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত শুনানি গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভুক্তভোগী ভূমি মালিকেরা তাদের পক্ষের ভূমি মালিকানার কাগজপত্রাদি উন্মুক্ত আলোচনায় তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন: গুগলে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে চাকরি পেলেন শাবি শিক্ষার্থী

প্রসঙ্গত ১৪টি মৌজার ভূমি মালিকদের নামে ১৯৫৬-৬২ সালে এসএ রেকর্ড হয়। ওই রেকর্ডের ওপর ভিত্তি করে নামজারি ও খাজনা আদায় হয়েছে। জমির রেজিস্ট্রি দলিলও হয়েছে। এরপর এসএ রেকর্ড অনুসরণ করে ১৯৭৬-৮৫ সালে আরএস রেকর্ড সম্পন্ন হওয়ার পর ভূমি মালিকরা নকশা ও পরচা হাতে পান। কিন্তু দীর্ঘ প্রায় দুই যুগ ধরে বনবিভাগের আপত্তির কারণে সখীপুর উপজেলার ১৪টি মৌজার ভোগদখলীয় ভূমি মালিকদের ভূমির নামজারি করতে ও খাজনা দিতে পারছেন না। 

ইত্তেফাক/অনি