অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সমুন্নত রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর। বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। ১৯৭১ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে এ দেশের হিন্দু-মুসলমান, বৌদ্ধ-খ্রিস্টানসহ সব সম্প্রদায়ের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত দেখিয়েছে। স্বাধীন বাংলাদেশের সূচনা থেকেই সংবিধানে সব ধর্মীয় সম্প্রদায়ের সমান অধিকার নিশ্চিত করা এবং ধর্মীয় কারণে কারো প্রতি বৈষম্য না করার কথা বলা হয়েছে। গতকাল রবিবার রাজধানীর শ্রী শ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে জন্মাষ্টমী উত্সবের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। মহানগর সার্বজনীন পূজা ক?মি?টির সভাপ?তি শৈ?লেন্দ্রনাথ মজুমদারের সভাপ?তি?ত্বে অনুষ্ঠানে আ?রো উপস্থিত ছি?লেন বাংলা?দেশ বেসরকা?রি বিশ্ব?বিদ্যালয় স?মি?তির চেয়ারম্যান ও বাংলা?দেশ ইন্সু?্যরেন্স অ্যা?সো?সি?য়েশ?নের সভাপ?তি শেখ ক?বির হো?সেন, বাংলা?দেশ পূজা উদ্যাপন প?রিষ?দের সভাপ?তি মিলন কা?ন্তি দত্ত, মহানগর সার্বজনীন পূজা ক?মি?টির সাধারণ সম্পাদক কি?শোর রঞ্জন মণ্ডল প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় বিভিন্নমুখী কার্যক্রম ইতোমধ্যে দেশে-বিদেশে ব্যাপকহারে প্রশংসিত হয়েছে। এ ব্যাপারে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, সমাজ থেকে অন্যায়-অত্যাচার, নিপীড়ন ও হানাহানি দূর করে মানুষে মানুষে অকৃত্রিম ভালোবাসা ও সম্প্রীতির বন্ধন গড়ে তোলাই ছিল শ্রীকৃষ্ণের মূল দর্শন। অধর্ম ও দুর্জনের বিনাশ এবং ধর্ম ও সুজনের রক্ষায় তিনি যুগে যুগে পৃথিবীতে আগমন করেন।