হিজবুল্লাহ-ইসরাইল সংঘাতের পর আপাতত শান্ত লেবানন সীমান্ত

বিবিসি ও রয়টার্স

ইসরাইলি সেনাবাহিনী ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সঙ্ঘাতের পর গতকাল সোমবার লেবানন-ইসরাইল সীমান্ত শান্ত ছিল। এর আগে বৈরুতে ড্রোন হামলার জবাবে রবিবার একটি ইসরাইলি সামরিক ঘাঁটিতে রকেট হামলা চালিয়েছিল লেবাননের ইরান সমর্থিত শিয়া সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ।

রবিবার লেবানন থেকে ইসরাইলের অভ্যন্তরে বেশ কয়েকটি ট্যাংকবিধ্বংসী রকেট ছোড়া হয়। ইসরাইলি সেনাবাহিনী এ রকেট হামলার কথা নিশ্চিত করেছে। সেনাবাহিনী জানিয়েছে, সামরিক ঘাঁটি ও সামরিক যান লক্ষ্য করে এসব রকেট ছোড়া হয়েছে। হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, হামলায় ইসরাইলের অনেকেই হতাহত হয়েছে।

ইসরাইলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় টুইটারে জানায়, ‘হিজবুল্লাহ দুই থেকে তিনটি ট্যাংক-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। ইসরাইলি সেনাবাহিনীর একটি ফাঁড়ি ও অ্যাম্বুলেন্সে তা আঘাত হেনেছে। আমরাও হিজবুল্লাহ স্কোয়াড লক্ষ্য করে পালটা হামলা চালিয়েছি।’ ইসরাইলি সেনাবাহিনী আরো জানিয়েছে, হামলায় কেউ আহত হয়নি। রকেট হামলার জবাবে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে হামলা চালায় তারা।

এর আগে ইসরাইলি ড্রোন হামলার পর টেলিভিশন ভাষণে আন্দোলন হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরুল্লাহ হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, পালটা জবাব দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত তার সংগঠন নিয়েছে, তার কোনো নড়চড় হবে না। ড্রোন হামলার জন্য ইসরাইলকে মূল্য দিতে হবে। ড্রোনের সাহায্যে দক্ষিণ বৈরুতে হিজবুল্লাহর অবস্থানে ইসরাইলের বোমাবর্ষণের ব্যর্থ চেষ্টার এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে হাসান নাসরুল্লাহ হুঁশিয়ারি দেন। তার বক্তব্যের পরদিনই ইসরাইলে রকেট হামলা চালায় ইরানসমর্থিত সশস্ত্র সংগঠনটি।