জনবসতিসহ চিংড়ি ঘের ঝুঁকিতে
চকরিয়া (কক্সবাজার) সংবাদদাতা
পেকুয়ার মগনামা ইউনিয়নে ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ উপচে গত কয়েকদিন ধরে সামুদ্রিক জোয়ারের পানি লোকালয়ে ঢুকছে। এতে ঝুঁকিতে পড়েছে আশপাশের জনবসতি, লবণ মাঠ ও চিংড়ি উত্পাদন খেত। এ অবস্থায় বন্যা আতঙ্কে রয়েছেন ইউনিয়নবাসী।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ঐ ইউনিয়নের মগনামা লঞ্চঘাট থেকে শরতঘোনা পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার ঝুঁকিতে বেড়িবাঁধ উপচে সামুদ্রিক জোয়ারের পানি লোকালয়ে প্রবেশ করছে। জোয়ারের পানির ধাক্কায় ক্রমশ ভাঙছে বেড়িবাঁধ। ভাঙনের কবলে কোথাও কোথাও মাত্র এক থেকে দেড় ফুট অবশিষ্ট রয়েছে।
জনবসতি, লবণ মাঠ ও চিংড়ি ঘের ঝুঁকিতে থাকার কথা স্বীকার করে উপজেলার মগনামা ইউপি চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ ওয়াসিম বলেন, ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু ও আইলার আঘাত এখনো সামলে উঠতে পারেনি মগনামার মানুষ। বেড়িবাঁধ ভেঙে ২০১৫-১৮ সাল পর্যন্ত মগনামা ইউনিয়ন অন্তত ১০ বার প্লাবিত হয়েছে। এখনো ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছে গ্রামীণ অবকাঠামো। দুর্যোগের পর সরকার মগনামা ইউনিয়নে অন্তত ৮ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ করেছে। এখন ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে পানি ঢুকলে এসব উন্নয়ন কাজ ভেস্তে যাওয়ার পাশাপাশি কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হবে এলাকাবাসীর।
তিনি আরো বলেন, মগনামা ইউনিয়নে ৩০ হাজার মানুষের বসবাস। বেড়িবাঁধের এই অরক্ষিত অংশ নিয়ে মগনামাবাসীর মাঝে এখন আতঙ্ক বিরাজ করছে। তাই মগনামা ইউনিয়নের বাসিন্দাদের আসন্ন প্লাবন থেকে রক্ষা করতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও কক্সবাজারের জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ জরুরি। বান্দরবান পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, মগনামা ইউনিয়নের বেড়িবাঁধের অধিকাংশ সংস্কার করা হয়ে গেছে। তবে সামান্য কিছু অংশ এখনো সংস্কার করা হয়নি। এটি দ্রুত সংস্কারের জন্য ঠিকাদারকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।