ইত্তেফাক রিপোর্ট
বাংলাদেশ জাতীয় কারুশিল্প পরিষদ ও বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে ৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত ‘ঐতিহ্যের বিনির্মাণ’ শীর্ষক পাঁচ সপ্তাহব্যাপী জামদানি উত্সব অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ধানমন্ডির বেঙ্গল শিল্পালয়ে। এই উত্সবকে ঘিরে পরিকল্পনা তুলে ধরতে গতকাল মঙ্গলবার লালমাটিয়ার বেঙ্গল বইয়ের মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। প্রদর্শনীতে আদি জামদানির বিলুপ্ত প্রায় ৩০টি শাড়ির পাশাপাশি জামদানির নকশা, পুরোনো জামদানিও উপস্থাপন করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, জামদানির গৌরবময় ইতিকথার সঙ্গে বর্তমানের সেতুবন্ধ রচনার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ জাতীয় কারুশিল্প পরিষদ প্রায় দুই বছরকাল দেশে ও দেশের বাইরের প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তি পর্যায়ের সংগ্রাহক এবং বিভিন্ন জাদুঘরের সহযোগিতায় ১৫০টিরও বেশি ঐতিহ্যবাহী জামদানি শাড়ির ডিজাইন ও ছবি সংগ্রহ করে।
আদি জামদানি বস্ত্রের চিত্রে ফুটে ওঠে বয়নসৌকর্যের মহিমা, যা বাংলাদেশের বয়নশিল্পীরাই এককালে সম্ভব করেছিলেন। ঋদ্ধ এই গবেষণার ওপর ভিত্তি করেই আদি জামদানি নতুন করে বয়নের প্রচেষ্টা হাতে নেওয়া হয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয় বেঙ্গল ফাউন্ডেশন। সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে রয়েছে আড়ং, কুমুদিনী, অরণ্য ও টাঙ্গাইল শাড়ি কুটির।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় কারুশিল্প পরিষদের সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ জাতীয় কারুশিল্প পরিষদের নির্বাহী সদস্য ও সাবেক সভাপতি রুবী গজনভী, বাংলাদেশ কারুশিল্প পরিষদের নির্বাহী সদস্য চন্দ্রশেখর সাহা, বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক লুভা নাহিদ চৌধুরী, টাঙ্গাইল শাড়ি কুটিরের স্বত্বাধিকারী মনিরা এমদাদ, আড়ং এর চিফ অপারেটিং অফিসার আশরাফুল আলম, অরণ্য ক্রাফটস এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নওশিন খায়ের ও কুমুদিনী হ্যান্ডি ক্রাফটস এর পক্ষে হেনা সুলতানা।
এছাড়া অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বয়নশিল্পী জামাল হোসেন ও আবুল কাশেম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয় কারুশিল্প পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শেখ সাইফুর রহমান।