রাজধানীর ৭২ লাখ ভাড়াটেদের ডাটা পুলিশের সার্ভারে যুক্ত হয়েছে। জঙ্গিসহ অপরাধ তত্পরতা দমনে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। ঐ ব্যক্তিরা যেখানেই যাক না কেন, তাদের নাম দিয়ে সার্চ দিলেই সব তথ্য বেরিয়ে আসবে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়ার উদ্যোগে এই বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু হয়, যা ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।
জানা গেছে, এই সরকারের সময়ে পুলিশের সক্ষমতা বেড়েছে। বাংলাদেশ পুলিশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন, অপরাধীদের গ্রেফতার, মামলাগ্রহণ, বিচারে সহায়তা, সড়কে শৃঙ্খলা ও ভিআইপি নিরাপত্তা-প্রটোকলসহ অনেক দায়িত্ব পালন করে থাকে। সব কিছুতেই পুলিশের প্রয়োজন। এতো কাজের মাঝে বাড়তি কাজ হিসেবে রাজধানীর প্রতিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহ করে পুলিশ। আগামী ডিসেম্বর নাগাদ এক কোটি ভাড়াটেদের তথ্য সংগ্রহ সম্ভব হবে। আর এক বছরের মধ্যে রাজধানীর সব ভাড়াটেদের তথ্য সংগ্রহ হবে। এই ডাটা কালেকশনের কাজ সরকারের অন্য কোনো সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে করতে হলে কয়েক শ কোটি টাকা ব্যয় হতো। কিন্তু কোনো বাড়তি বরাদ্দ ছাড়াই পুলিশ নিজের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ভাড়াটেদের তথ্য সংগ্রহে সফলতা দেখিয়েছে। আর এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। ভাড়াটেদের টেলিফোন ও মোবাইল ফোন নম্বর, স্থায়ী ও অস্থায়ী ঠিকানাসহ সব তথ্য পুলিশের সার্ভারে আছে। অনেকে একে একটি যুগান্তকারী কাজ হিসেবে দেখছেন।
পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা জানান, আগের তুলনায় মানুষ অনেক সচেতন হয়েছে। আমরা তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে দেখেছি, সাধারণ মানুষ হাসিমুখে তথ্য দিচ্ছে। কারণ, তারা নিরাপদে থাকতে চায়। তাই নিজেরাই প্রয়োজনীয় তথ্য দিচ্ছে।
বাড়িওয়ালা, ভাড়াটিয়া, ড্রাইভার, গৃহকর্মীদের তথ্য সংগ্রহ করার কাজ অব্যাহত আছে। ভাড়াটেদের তথ্য নেওয়ার ক্ষেত্রে বাড়িওয়ালাদের কাছ থেকে যাচাই করে নেওয়া হচ্ছে।