দেশের দুটি নারী দল এমাসের পুরোটা সময় ধরে বিদেশে অবস্থান করবে। আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে লড়াই করছে বয়স ভিত্তিক দুটি নারী দল। গতকাল সিঙ্গাপুর চলে গেছে অনূর্ধ্ব—২১ নারী হকি দল আর আজকে থাইল্যান্ড যাচ্ছে অনূর্ধ্ব—১৬ নারী ফুটবল দল।
দুটো দলের কাছে খুব বেশি প্রত্যাশা নেই। থাকার কথাও না। কারণ প্রথম কথা হচ্ছে নারী হকি দল এবার প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে গেছে। তাদের অভিজ্ঞতা নেই। আর থাইল্যান্ডে নারী ফুটবল দলের অভিজ্ঞতা থাকলেও তারা যেসব দলের বিপক্ষে খেলবে সেই সব দেশ বাংলাদেশের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী। জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং থাইল্যান্ড খেলবে বাংলাদেশের গ্রুপে। বি গ্রুপে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া, উত্তর কোরিয়া, ভিয়েতনাম ও চীন। বাংলাদেশের গ্রুপে শক্তিশালী দল। পেরে উঠা কঠিন। তুলনায় শক্তির বিচারে থাইল্যান্ড একটু কম হলেও বাংলাদেশ পারবে সেটা বলা যাবে না। তারা অনেক বেশি সামর্থ্যবান দল। এদের বিপক্ষে বাংলাদেশ খুব সহজেই হেরে যাবে সেকথাও বলা যাবে না। প্রতিপক্ষকে জিততে হলে বাংলাদেশের মেয়েদের বিপক্ষে কঠিন লড়াই করতে হবে সেকথা সহজেই বলা যায়। মূল লড়াইয়ে নামার আগে বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৬ ফুটবল দল তিনটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে। আগামীকাল প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচ। ৯ ও ১১ সেপ্টেম্বর আরো দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে থাইল্যান্ডে।
১৫ সেপ্টেম্বর শুরু হবে ৮ দেশ নিয়ে মুল পর্ব। দুই গ্রুপ হতে চারটি দল সেমিফাইনালে উঠবে। এশিয়ার সেরা ৮ দেশের লড়াই হতে ২টি দেশ অনূর্ধ্ব—১৭ বিশ্বকাপ ফুটবলে খেলার টিকিট পাবে। যেটি আগামী বছর ভারতে অনুষ্ঠিত হবে।