গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা
ইত্তেফাক রিপোর্ট
নারীর অধিকার আদায়ে সহিংসতা প্রতিরোধ করতে হবে। বিশ্বব্যাপী শান্তি বজায় রাখতে নারীদের ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি, শিক্ষার হার বাড়ানোর পাশাপাশি নেতৃত্বে অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে যুব নারীদের অবদানগুলো তুলে ধরতে হবে। গতকাল বুধবার সকালে মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে ‘নারী, শান্তি এবং সুরক্ষা এজেন্ডা যা বাংলাদেশ এবং ইন্দোনেশিয়ার প্রসঙ্গে প্রাসঙ্গিক’ বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন। জিএনডাব্লিউপি, নারীপক্ষ, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, ব্লাস্ট জেএনইউএন’ যৌথভাবে এই গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইউএন উইমেন-এর প্রতিনিধি আসমা হক, নারীপক্ষের শিরীন হক, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির মনজুর হাসান, জাগো নারী উন্নয়ন সংস্থার শিউলী শর্মা, ইন্দোনেশিয়ার দ্য এশিয়ান মুসলিম একশন নেটওয়ার্ক এর হানিফাহ হারিস প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, যুব নারীদের ক্ষমতায়ন, অংশগ্রহণ, শিক্ষা ও নেতৃত্বে বিনিয়োগ করা জরুরি। নারীদের সচেতনতা বৃদ্ধি, সেইসঙ্গে তাদের শান্তি ও সুরক্ষা, তারুণ্য, শান্তি ও সুরক্ষার উপায় এবং বাংলাদেশে এর বাস্তবায়নে জোর দিতে হবে। শান্তি বজায় রেখে সংঘাতের সমাধান, সহিংস উগ্রবাদ প্রতিরোধ এবং স্থানীয়ভাবে ও বিশ্বব্যাপী শান্তি বজায় রাখতে যুব নারীদের অবদানগুলো তুলে ধরতে হবে। সম অধিকার প্রতিষ্ঠা করা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। বিশেষ করে যুব নারীদের অংশ বাড়ানো এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
উল্লেখ্য, ২০০০ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ে রেজুলেশন গ্রহণ করা হয়। ২০০০ সালে রেজুলেশনটি গ্রহণের সময় নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ ছিল মূল আয়োজকদের মধ্যে অন্যতম। রেজুলেশন বাস্তবায়নে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে এই গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে।