টাকা পরিশোধ করলে ঋণ পাবে হলমার্ক --------------অর্থমন্ত্রী

হল-মার্ক গ্রুপ আবার ব্যবসায় ফিরতে হলে সব টাকা পরিশোধ করতে হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেন, তাদের ব্যবসায় ফিরতে হলে বকেয়া টাকা সুদসহ পরিশোধ করতে হবে। এরপর তারা ঋণ পাবে। গতকাল বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলন কক্ষে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, হল-মার্ক টাকা পরিশোধ করবে। সবাই টাকা দেবে, এটা বিশ্বাস রাখেন। তারা আবার ব্যবসায় ফিরবে, সবাই ব্যবসায় ফিরবে। আমি নতুন করে ব্যবসায়ী সৃষ্টি করতে পারব না। যারা আছেন, এদের দিয়েই ব্যবসা করতে হবে। আমি চাই, আমার টাকাটা দিয়ে দিক, সুন্দরভাবে জীবন-যাপন করুক। সাভারে তাদের ফ্যাক্টরি সম্পূর্ণ অচল হয়ে গেছে বলে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ফ্যাক্টরি অচল হলে তার নিচে যে গোল্ড ব্রাইড আছে সেটা কী করবেন? নতুন অ্যারেজমেন্ট যখন হবে তখন জানতে পারবেন।           আজ আর এ বিষয়ে কোনো কিছু বলতে চাইছি না।

উল্লেখ্য, আর্থিক খাতে বড়ো ঋণ জালিয়াতকারী হল-মার্ক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. তানভীর মাহমুদ, তার স্ত্রী গ্রুপের চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলাম সম্প্রতি অর্থমন্ত্রীর কাছে একটি চিঠি দিয়ে নতুন করে ঋণ সহায়তা কামনা করেন। তারা বর্তমানে কারাবন্দি। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের টাকা তাদের শোধ করতে হবে। সেই টাকা দিলে আমরা তাদের ঋণ দেব। তাদের সেই সক্ষমতা আছে। ব্যবসায়ীরা কখনো শেষ হয়ে যায় না।

ডেঙ্গু প্রতিরোধের অভিজ্ঞতা নিতে

সিঙ্গাপুর যাবেন কর্মকর্তারা

অর্থমন্ত্রী বলেছেন, দেশকে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ামুক্ত করতে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। এ উদ্দেশ্যে সিটি করপোরেশনগুলোর কর্মকর্তারা অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য কয়েকটি দেশ সফর করেছেন। তারা খুব শিগগির সিঙ্গাপুর যাবেন, সেখানে কীভাবে এ রোগগুলো প্রতিরোধ করা হচ্ছে তা প্রত্যক্ষ করার জন্য। অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন তিনি। অর্থমন্ত্রী বলেন, বৈঠকে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) জন্য ২০০টি ফগার মেশিন, ১৫০টি হস্তচালিত মেশিন ও ৪০ হাজার লিটার মেলাথিয়ন কীটনাশক সরাসরি ক্রয়ের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে সরকারের ব্যয় হবে ৫ কোটি ৩২ লাখ ৫৫ হাজার টাকা। আগামী এক মাসের মধ্যে এসব যন্ত্রপাতি ও কীটনাশক উত্তর সিটি করপোরেশনের হাতে পৌঁছবে। টেন্ডারের মাধ্যমে এগুলো সংগ্রহ করাটা বেশ সময়সাপেক্ষ। সামগ্রিক অবস্থা বিবেচনা করে এসব ক্রয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জন্য এ সংক্রান্ত কোনো প্রস্তাব এখনো পাঠানো হয়নি। মশা মারার কার্যক্রম বছরব্যাপী চলবে।