আবাহনী উঠল সঙ্গে ব্রাদার্স

স্পোর্টস রিপোর্টার

আবাহনী আগেই কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে রেখেছিল। অনিশ্চয়তায় ছিল ব্রাদার্স ইউনিয়ন ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়াচক্র। আবাহনী এবং ব্রাদার্সের খেলার ফলের উপর ভিত্তি করে মুক্তিযোদ্ধারও সুযোগ ছিল শেষ আটে ওঠার। কিন্তু আবাহনী ও ব্রাদার্সের গোলশূন্য ড্রয়ে গোপীবাগের দলটিই যায় শেষ আটে।

স্বাধীনতা কাপের ‘সি’ গ্রুপে এই খেলার পর চার পয়েন্ট নিয়ে আবাহনী গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন এবং দুই পয়েন্ট পেয়ে ব্রাদার্স রানার্স আপ হয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে।

দুশ্চিন্তা না থাকায় আবাহনী কাল নিয়মিত গোলকিপার অধিনায়ক সোহেলসহ একাধিক ফুটবলারকে বসিয়ে রাখে। এরপরও ব্রাদার্সকে হারাতে আবাহনী ছিল তত্পর।  কিন্তু তাদের গোলের সুযোগগুলো নষ্ট হয় দুর্ভাগ্যজনকভাবে।

আবাহনীর জন্য বেশি প্রয়োজন ছিল ইনজুরি কাটিয়ে ফেরা নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার সানডেকে সেট করা। কাল ব্রাদার্সের বিপক্ষে দারুণ খেলেছেন তিনি। ভালো খেলেছেন হাইতিয়ান ফরোয়ার্ড কারভিন বেলফোর্টও। এই জুটি ব্রাদার্সকে কাঁপিয়ে দিলেও প্রথমার্ধেই আবাহনীর জালে বল রেখেছিলেন ব্রাদার্সের ব্রাজিলীয়ান ফরোয়ার্ড এভারটন। কিন্তু অফসাইড দেখিয়ে তা বাতিল করে দেন রেফারি।

ম্যানেজার আমের খান সেটা নিয়ে আপত্তি করলেও পরে মেনে নেন। ডিফেন্ডার আশরাফুল অভিমান করে বলছিলেন আবাহনী বলে কথা! কোনো আপত্তি নেই কোচ সৈয়দ নাইমুদ্দিনেরও। স্বাধীনতা কাপের প্রথম খেলায় এসে দায়িত্ব নিলেন তিনি। মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে ১-১ ও দ্বিতীয় খেলায় আবাহনীর সঙ্গে গোলহীন ড্রয়ের পরও দল কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠায় খুশি এই কোচ।

 কোচ নাইমুদ্দিন বলছিলেন, ‘আমাদের খেলোয়াড়রা ভালো। পুরো বাংলাদেশের খেলোয়াড়রাই ভালো। ধন্যবাদ দেই আমের খানকে। সে আমাকে কাজ করার সুয়োগ দিয়েছে।’

ব্রাদার্স আগামী ১১ ডিসেম্বর প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে খেলবে আরামবাগের সঙ্গে। ১৩ ডিসেম্বর টুর্নামেন্টের তৃতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে আবাহনী খেলবে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবের বিপক্ষে। আবাহনী পর্তুগীজ কোচ লুসিয়ানো লেমস জানিয়ে গেলেন কঠিন ম্যাচ হবে। কারণ সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব ভালো দল। সেজন্য তাদেরও বেটার ফুটবল খেলতে হবে।