ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেছেন, ২০৩০ সালের মধ্যে আমাদের এসডিজি (টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা) অর্জন করতে হবে। আর এই এসডিজি অর্জনের জন্য সমাজের কোনো অংশকে এবং কোনো শ্রেণিগোষ্ঠীকে পিছনে ফেলে রাখা যাবে না। যার একটি মৌলিক লক্ষ্য হলো একটি অংশগ্রহণমূলক সমাজ নির্মাণ। অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ বিনির্মাণে অর্থাত্ এসডিজি অর্জনে প্রতিবন্ধীদের উন্নয়ন আবশ্যক। আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে গতকাল শনিবার ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (পিডিএফ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা আয়োজিত ‘সবার জন্য প্রবেশগম্য ও বাধাহীন ক্যাম্পাস’ এই প্রতিপাদ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের মোজাফ্ফর আহমেদ চৌধুরী অডিটোরিয়ামে আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে প্রতিবন্ধীবান্ধব ক্যাম্পাস গড়তে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে শোভাযাত্রা বের করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিবিসি’র জরিপে একশ’ সাহসী নারীর তালিকায় স্থান পাওয়া হূদয় সরকারের মাতা সীমা সরকারকে ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য প্রথমবারের মত জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন এবং দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের কর্মসংস্থানে অসামান্য অবদান রাখার জন্য ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমদ চৌধুরী কিরণকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয় । নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে হূদয় সরকার বলেন, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হতে পেরে গর্ব বোধ করছি। এ সময় তাকে পিডিএফের পক্ষ থেকে এক বছরের শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হয়।
সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি মো. নাজমুস সাকিবের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মিসবাহুল আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম। সম্মানিত অতিথি ছিলেন এটুআই-এর ন্যাশনাল কনসালটেন্ট (এক্সেসিবিলিটি) ভাস্কর ভট্টাচার্য। পিডিএফের ভাইস-প্রেসিডেন্ট মামুনুর রশিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেইন।