আজমেরী ওসমানের বাসা ও অফিসে পুলিশের তল্লাশি, আটক ২

শহরের আমলাপাড়ার বাসিন্দা বাচ্চুর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর ঘটনায় প্রয়াত সংসদ সদস্য নাসিম ওসমানের ছেলে আজমেরী ওসমানের বাসা ও অফিসে তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশ দুই জনকে আটক করেছে। আটককৃতরা হলেন—জেলা ছাত্রসমাজের আহ্বায়ক মো. শাহাদাত্ হোসেন রুপু (৩২) ও গলাচিপার ডিএন রোডের মোখলেসুর রহমান (৩৫)। গত বৃহস্পতিবার রাত ১২টায় শহরের আল্লামা ইকবাল রোডের আজমেরী ওসমানের বাসা ও অফিস দেওয়ান মঞ্জিলে তল্লাশি চালায় জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) ফতুল্লা মডেল থানা ও সদর মডেল থানার একাধিক টিম। বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা পুলিশের মিডিয়া উইংয়ের কর্মকর্তা (ডিআইও-২) সাজ্জাদ রোমন বলেন, ‘আমলাপাড়ার বাসিন্দা বাচ্চুর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর ঘটনায় আজমেরী ওসমানের দুই সহযোগীকে আটক করা হয়েছে। এই মামলায় আজমেরী ওসমান পলাতক রয়েছেন’। এদিকে পুলিশের তল্লাশির বিষয়ে আত্মপক্ষ সমর্থন করে ফেসবুকে নিজের নামে একটি পেজে স্ট্যাটাস দিয়েছেন আজমেরী ওসমান। গতকাল শুক্রবার ভোরে পোস্ট করা ঐ স্ট্যাটাসে তার বিরুদ্ধে একটি কুচক্রীমহল অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে দাবি করেন।

গত বৃহস্পতিবার রাতে শহরের আমলাপাড়া এলাকার বাসিন্দা বাচ্চু মিয়া সদর মডেল থানায় আজমেরী ওসমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এ মামলায় এজাহারনামীয় এক নম্বর আসামি করা হয়েছে আজমেরী ওসমানকে। অন্য আসামিরা হলো—শহরের গলাচিপা ডিএন রোডের গোলজার হোসেনের ছেলে মোখলেসুর রহমান, জেলা ছাত্রসমাজের আহ্বায়ক মো. শাহাদাত্ হোসেন রুপু ও জুয়েল।

মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে একটি নম্বর থেকে কল করে আজমেরী ওসমানের পরিচয় দিয়ে আমলাপাড়ার বাসিন্দা বাচ্চু মিয়ার কাছে ৬৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদার টাকা আনার জন্য মোখলেস কালিমন্দিরের সামনে বাচ্চু মিয়ার সঙ্গে দেখা করে। পরে আজমেরী ওসমান তাকে ডাকছে বলে মোখলেসসহ অজ্ঞাতনামা সাত-আট জন জোর করে কালিবাজারের মাংসপট্টি আফসু মহাজনের হোটেলের সামনে নিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে। মারধরের পর চাঁদার টাকা না দিলে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়।