ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে ওঠা চিরকুটে ভর্তির অভিযোগকে বানোয়াট বলছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ সময় সকল সান্ধ্যকালীন ও প্রফেশনাল একাডেমিক কার্যক্রম বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি কমিটি গঠন করবে বলেও জানায়। গতকাল সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ অফিস থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়। জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক মাহমুদ আলম স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগে ‘মাস্টার্স অব ট্যাক্স ম্যানেজমেন্ট’ প্রোগ্রামে কথিত ‘চিরকুটে ভর্তি’ খবরটির মাধ্যমে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা চালানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রকৃতপক্ষে উপাচার্য কোনো বিভাগ বা ইনস্টিটিউটে ভর্তির জন্য কোনো শিক্ষার্থীকে কোনো ‘চিরকুট’ বা কোনো নির্দেশনা কখনো কাউকে দেননি এবং দেওয়ার সুযোগ নেই। নির্দিষ্ট নিয়মে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ভর্তি কার্যক্রম সম্পাদন করেন। বিজ্ঞপ্তিতে উপাচার্যকে আবর্তন করে অবান্তর, অসত্য, দায়িত্বহীন বক্তব্য ও তথ্য প্রচার না করার জন্য অনুরোধও করা হয়।
এদিকে এ ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপি ও জামায়াত সমর্থক শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দল। এ ঘটনায় জড়িতদের বিচারের মুখোমুখি করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে সংগঠনটি। সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘কোনো প্রকার বিজ্ঞপ্তি ও ভর্তি পরীক্ষা ছাড়াই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি একটি চরম অনিয়ম এবং অমার্জনীয় অপরাধ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনিয়মের মাধ্যমে ভর্তি সংক্রান্ত খবরে আমরা গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করছি।’
অন্যদিকে এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে ছাত্র ফেডারেশনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন ঢাবি শাখার সভাপতি আবু রায়হান খান বলেন, যে শিক্ষক আমাদের নৈতিকতা শিক্ষা দেওয়ার দায়িত্বে থাকেন তারাই যদি অনৈতিক কর্মকাণ্ড করেন তবে তারা আমাদের কি নৈতিকতা শিক্ষা দিবেন? তিনি রোকেয়া হল প্রভোস্ট জিন্নাত হুদাসহ হল সংসদের পদত্যাগ দাবি করেন।