পুরান ঢাকার হোসেনি দালানে তাজিয়া মিছিলে বোমা হামলা মামলার বিচার চলছিল সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালে। কিন্তু সাক্ষ্য গ্রহণের মাঝপথে এসে বন্ধ হয়ে যায় বিচারকাজ। অভিযোগপত্রভুক্ত আসামিদের এক জন জাহিদ হাসান রানাকে শিশু উল্লেখ করে সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালে তার বিচারের সুযোগ নেই বলে আবেদন দেয় আসামিপক্ষ। পরে ট্রাইব্যুনাল ঐ আসামির প্রকৃত বয়স নির্ধারণ করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য তদন্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেয়। ঐ নির্দেশের পর অধিকতর তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে শিশু আইনে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা। অভিযোগপত্র গ্রহণ করে এই বোমা হামলা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল গতকাল। কিন্তু ট্রাইব্যুনালের বিচারক অসুস্থ থাকায় গতকাল সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়নি বলে জানান সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, বিচারের শুরুতে যদি আসামির বয়সের বিষয়ে আপত্তি জানাত, তাহলে এক বছর বিচারকাজ বন্ধ থাকত না। তারা বিচারের মাঝপথে এসে আপত্তি দেওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়। এখন সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করায় সেই অচলাবস্থা কেটে গেছে।
২০১৫ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার হোসেনি দালানে তাজিয়া মিছিল শুরুর প্রাক্কালে হঠাত্ বোমা হামলা হয়। এতে আহত হয় শতাধিক। চিকিত্সাধীন অবস্থায় সাজ্জাদ হোসেন নামের এক কিশোর ও জামাল উদ্দিন নামের একজন মারা যান।