বিএডিসির দত্তনগর খামার

দুর্নীতির অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত চার

বিএডিসির ঝিনাইদহের দত্তনগর বীজ উত্পাদন খামারের তিন জন কর্মকর্তাসহ চার জনকে দুর্নীতির অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তারা হচ্ছেন: গোকুল নগর খামারের উপপরিচালক তপন কুমার সাহা, করিঞ্চা খামারের উপপরিচালক ইন্দ্রজিত্ চন্দ্র শীল, পাতিলা খামারের উপপরিচালক আকাতারুজ্জামান তালুকদার ও যশোর শেখহাটি বীজ প্রক্রিয়াজাত কেন্দ্রের উপপরিচালক মো. আমিনউল্লাহ। অসত্ উদ্দেশ্য ও বিধিবহির্ভূতভাবে প্রায় ৩ কোটি টাকা মূল্যের ১২৯ মেট্রিক টন হাইব্রিড ধান বীজ দত্তনগরের তিনটি খামার থেকে পাচার করে যশোর বীজ প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রে অবৈধভাবে পাঠানো হয়। উদ্দেশ্য ছিল এ বীজ বিক্রির টাকা ভাগ-বাটোয়ার করে নেওয়া। বিএডিসির সচিব আব্দুল লতিফ মোল্লা সোমবার এক চিঠিতে তাদের সাময়িক বরখাস্তের এই আদেশ দেন। বিএডিসির ওয়েবসাইট থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

 উপসহকারী পরিচালক আব্দুল কাদের জানান, মাস তিনেক আগে এসব বীজ দত্তনগর থেকে শেখহাটি বীজ প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রে আসে। এক শ্রমিকের মাধ্যমে জানতে পারেন, বৈধ চালান ছাড়া অনেক বীজ গুদামে ঢুকেছে। এরপর গুদামে মজুত  ১৮৭ মেট্রিক টন বীজের বৈধতা দেখতে পান। বাকি তিনটি লটে মজুত ১২৯ দশমিক ২২ মেট্রিক টনের কোনো বৈধ কাগজপত্র পান না। মাস খানেক আগে অতিরিক্ত বীজ মজুতের কথা চিঠি লিখে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানান। এরপর তদন্তে আসেন দুজন কর্মকর্তা। মজুত অতিরিক্ত বীজ মজুত রেজিস্টারে এন্ট্রি করে গেছেন তারা। এদিকে তাকে ঝিনাইদহ কনট্রাক্ট গ্রোয়ার জোনে বদলি করে স্ট্যান্ড রিলিজের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

মোবাইল ফোনে জি এম নুরুন্নবী সরদারের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, তারা অভিযোগ তদন্ত করে রিপোর্ট দেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ চার জনকে সাময়িক বরখাস্ত করেছেন।