স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানিয়েছেন, রাজধানীকে নিরাপদ নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে পুরো শহরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন বিশেষ ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে ডিজিটাল কেইস ডায়েরির ওপর পর্যালোচনাবিষয়ক এক আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এই ক্যামেরার সামনে অপরাধী বা তার গাড়ি এলেই তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানিয়ে দিবে। ঢাকা ও ময়মনসিংহ শহর এবং পর্যায়ক্রমে দেশের সব শহরকে অনলাইন জিডির আওতায় আনা হবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, অনলাইন জিডি বাস্তবায়ন সংক্রান্ত এক সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি করে দিয়েছি। তিনি আরো বলেন, আমরা পুলিশ ভেরিফিকেশন থেকে শুরু করে সবকিছু যাতে অনলাইনে করতে পারি, সে বিষয়েও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।
কারাবন্দিরা যাতে স্বজনদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলতে পারে সেজন্য কারাগারে ‘স্বজন’ নামে একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, টাঙ্গাইলে প্রকল্পটি উদ্বোধন করা হয়েছে। তিনি বলেন, আইসিটি বিভাগে ছয় দিনের একটি কর্মশালা হবে, সেখানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও কী কী সেবা ডিজিটাল করতে পারে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, যে সার্ভিসগুলো আমরা জনসাধারণের কাছে তুলে ধরেছি সেগুলোকে আরো শক্তিশালী জনবান্ধব করার জন্য আলোচনা হয়েছে সভায়। বিশেষ করে ৯৯৯ নম্বর নিয়ে নীতিমালা প্রণয়নের জন্য অতিরিক্ত সচিবকে (পুলিশ) আহ্বায়ক করে ছয় সদস্যের কমিটি করা হয়েছে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, পুলিশের মহাপরিদর্শক ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীনসহ অন্য কর্মকর্তারা।