টেকনাফে হত্যা মামলার দুই আসামি ও কুষ্টিয়ায় মাদক ব্যবসায়ী নিহত

কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে যুবলীগ নেতা হত্যা মামলার পলাতক দুই আসামি ও কুষ্টিয়ায় বন্দুকযুদ্ধে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় অস্ত্র কার্তুজ ও খোসা উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে ইত্তেফাক প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর।

টেকনাফ (কক্সবাজার) : কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যা মামলার পলাতক দুই আসামি নিহত ও তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। পুলিশ সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ প্রদীপ কুমার দাশের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ দল উপজেলার হ্নীলা জাদিমোরা চাইল্ড ফেন্ডলি স্পেস অফিস সংলগ্ন পেছনের পাহাড়ে ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি ওমর ফারুক হত্যাসহ একাধিক মামলার পলাতক আসামিদের অবস্থানের খবর পেয়ে অভিযানে যায়। এ সময় দুর্বৃত্তরা টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে। এতে এএসআই কাজী সাইফউদ্দিন, কনস্টেবল নাবিল ও রবিউল ইসলাম আহত হলে পুলিশও    আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলিবর্ষণ করে। গোলাগুলির শব্দে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে অস্ত্রধারীরা পাহাড়ের দিকে পালিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর ঘটনাস্থল থেকে দুটি এলজি, সাত রাউন্ড শর্টগানের তাজা কার্তুজ এবং নয় রাউন্ড কার্তুজের খোসাসহ গুলিবিদ্ধ দুই রোহিঙ্গা ও আহত পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিত্সার জন্য গুলিবিদ্ধ দুই রোহিঙ্গাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিত্সাধীন অবস্থায় তারা মারা যায়। নিহতরা হলেন: মিয়ানমারের আকিয়াব জেলার মন্ডু থানার বুচিদং হাসসুরাতার জমির আহমদের পুত্র মো. আব্দুল করিম এবং আকিয়াব জেলার মন্ডু থানার পুইমালীর ছৈয়দ হোসেনের পুত্র নেছার আহমদ ওরফে নেছার ডাকাত। তারা উভয়েই এ/পি নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের বাসিন্দা।

কুষ্টিয়া :কুষ্টিয়ায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সুজন মালিথা (৩৫) নামের এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’র ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, গুলি ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করে। পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি  করা হয়, এ ঘটনায় চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পুলিশ জানায়, রাত দেড়টার দিকে সদর উপজেলা মোল্লাতেঘরিয়া ক্যানালপাড়া এলাকায় দুই দল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়। খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে মাদক ব্যবসায়ীরা তাদেরকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়ে। গোলাগুলির একপর্যায়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পিছু হটে। পরে ঘটানাস্থল থেকে পুলিশ সুজন মালিথাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিত্সক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সুজন কুষ্টিয়া সদর উপজেলার টাকিমারা গ্রামের ইসমাইল মালিথার পুত্র।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি নাসিরউদ্দিন জানান, নিহত সুজন মাদক ব্যবসায়ী এবং তার নামে কুষ্টিয়া মডেল থানায় মাদকসহ অন্যান্য অপরাধে কয়েকটি মামলা রয়েছে।