দায়িত্বে আছেন নারী কর্মকর্তারা
স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া
নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার মামলা শূন্যের কোঠায় আনতে এবং আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে নারী ও শিশু নির্যাতনের অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে বগুড়ার ১২টি থানায় চলছে নারী ও শিশু হেল্প ডেস্কের কার্যক্রম। দায়িত্বে রয়েছেন নারী কর্মকর্তারা।
শহরের চেলোপাড়ার গৃহবধূ আঞ্জুয়ারা বেগম বলেন, তার মেয়েকে নির্যাতন করায় জামাতার বিরুদ্ধে কয়েক দিন আগে থানায় হেল্প ডেস্কের সহায়তায় অভিযোগ করেন তিনি। থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর পুলিশের তত্পরতায় জামাতা ভুল বুঝতে পেরে ক্ষমা চান। পরে অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেন তিনি।
বগুড়া শহরের বাঁশবাড়িয়া এলাকার রিমা বেগম তার প্রতিবন্ধী বোন নিখোঁজের অভিযোগ দিতে এসেছিলেন বগুড়া সদর থানায়। অভিযোগ কীভাবে লিখতে হবে, তা জানা ছিল না রিমার। থানায় পৌঁছানোর পর এক জন নারী পুলিশ তাকে হেল্প ডেস্কে ডেকে নেন। সমস্যা শোনার পর অভিযোগ লিখে দেন। তিন দিনের মাথায় তার বোনকে উদ্ধার করে পুলিশ।
বগুড়া পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞা বলেন, জেলার ১২টি থানায় এক বছর ধরে নারী ও শিশু হেল্প ডেস্ক কার্যক্রম চলছে। এ জন্য প্রতিটি থানায় হেল্প ডেস্কে এক জন নারী পুলিশ কর্মকর্তাকে পদায়ন করা হয়েছে। এছাড়া, শতভাগ গোপনীয়তা রক্ষা করে নির্যাতিত নারী ও শিশুকে আইনি সহায়তা দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।