বাসায় ওষুধ যেগুলো অব্যবহূত থাকে, সেগুলো ফেলে দেওয়া হয়। আমরা ইদানীং দেখছি অনেক ওষুধ কার্যকারিতা হারাচ্ছে। বিশেষ করে সাধারণ কিছু জ্বরের ওষুধ থেকে শুরু করে অনেক অ্যান্টিবায়োটিকে আর রোগ সারে না! কেন এমন হচ্ছে? অনেকগুলো কারণের মধ্যে বড় কারণ না বুঝে ওষুধের ব্যবহার ও প্রকৃতিতে অ্যান্টিবায়োটিকের আধিক্য। খাল পাড়ের বেশিরভাগ জমির ধান ও মাটি পরীক্ষা করলে অ্যান্টিবায়োটিকের উপস্থিতি পাওয়া যাবে। এর পেছনে যত্রতত্র ওষুধ ফেলা একটি বড় কারণ। সতেরো কোটি মানুষের মধ্যে ছয় কোটি মানুষও যদি ছয় মাসে একটি করে ওষুধ ফেলে, তবে ছয় কোটি ওষুধ কোনো ব্যবস্থাপনা ছাড়াই মাটিতে মিশে গেল! মাটি এগুলো একসঙ্গে গ্রহণ করে তা কোনভাবে পরিশোধন করছে, তার চেয়েও বড় ব্যাপার হচ্ছে হাসপাতালের বর্জ্য, রোগীর সরাসরি রক্ত যার মাধ্যমে জীবাণুর বিস্তার! হাসপাতালের ইটিপি, এসটিপির ব্যাপারে এখনো কোনো নীতিমালার প্রয়োগ নেই। এ বিষয়ে ভাবতে হবে। ওষুধ বর্জ্যের অব্যবস্থাপনা চলতে থাকলে ওষুধের কার্যকারিতা কমবে আরো অনেক বেশি! হাসপাতালগুলোর ইটিপি ও এসটিপি নির্মাণেও মনোযোগ দিতে হবে। নইলে পরিবেশদূষণ রোধে সকল পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়ে যাবে। বিষয়টির প্রতি শিল্প মন্ত্রণালয় ও পরিবেশ জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
সাঈদ চৌধুরী
শ্রীপুর, গাজীপুর