বাংলা
মো. সুজাউদ দৌলা ,সহকারী অধ্যাপক
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা
দুই বিঘা জমি
প্রশ্ন ১। উপেনের সব জমি কীভাবে খোয়া গেছে?
উত্তর: উপেনের সব জমি ঋণের দায়ে খোয়া গেছে।
প্রশ্ন ২। এ জগতে কে বেশি চায়?
উত্তর: যার ভূরি ভূরি আছে।
প্রশ্ন ৩। রাজার হস্ত কী করে?
উত্তর: কাঙালের ধন চুরি করে।
প্রশ্ন ৪। উপেন কোন বেশে দেশে দেশে ঘুরে বেড়িয়েছে?
উত্তর: সন্ন্যাসীর বেশে।
প্রশ্ন ৫। আম গাছের নিচে বসে উপেনের কিসের কথা মনে পড়ল?
উত্তর: বাল্যকালের কথা মনে পড়ল।
প্রশ্ন ৬। কোন মাসে ঝড়ের পর খুব সকালে উপেন আম কুড়াত?
উত্তর: জ্যৈষ্ঠ মাসে।
প্রশ্ন ৭। উপেনের কোলের কাছে কয়টি আম পড়ল?
উত্তর: দুটি আম পড়ল।
প্রশ্ন ৮। যমূদূতের মতো কে হাজির হয়েছিল?
উত্তর: বাগানের মালী।
প্রশ্ন ৯। জমিদার উপেনকে কী বলে অপবাদ দেয়?
উত্তর: সাধুবেশী চোর বলে অপবাদ দেয়।
প্রশ্ন ১০। মালী উপেনকে হাজির করার সময় বাবু কী করেছিলেন?
উত্তর: পারিষদ সাথে ছিপ দিয়ে মাছ ধরছিলেন।
প্রশ্ন ১১। ‘ভূস্বামী’ কাকে বলে?
উত্তর: অনেক জমির মালিককে ভূস্বামী বলে।
প্রশ্ন ১২। ‘পাণি’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: হাত।
প্রশ্ন ১৩। ‘ক্রুর’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: নিষ্ঠুর।
প্রশ্ন ১৪। ‘ডিক্রি’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: আদালতের হুকুম।
প্রশ্ন ১৫। ‘পারিষদ’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: মোসাহেব, পার্শ্বচর।
প্রশ্ন ১৬। ‘দুই বিঘা জমি’ কোন ধরনের কবিতা?
উত্তর: কাহিনী কবিতা।
প্রশ্ন ১৭। ‘বিঘে’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: কুড়িকাঠা জমিতে এক বিঘা হয়।
প্রশ্ন ১৮। ‘খত’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: ঋণের দলিল।
প্রশ্ন ১৯। ‘ভূধর’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: পাহাড় বা পর্বত।
প্রশ্ন ২০। ‘দুই বিঘা জমি’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেয়া হয়েছে?
উত্তর: কথা ও কাহিনী।
বিজ্ঞান
১) পরিবেশ দূষণের ক্ষতিকর প্রভাবসমূহ ব্যাখ্যা করো।
উত্তর : পরিবেশ দূষণের ফলে মানুষ, জীবজন্তু ও পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি হয়। দূষণের কারণে মানুষ বিভিন্ন ধরনের রোগে আক্রান্ত হয়। যেমন— ক্যান্সার, শ্বাসজনিত রোগ, পানিবাহিত রোগ, ত্বকের রোগ ইত্যাদি। দূষণের ফলে জীবজন্তুর আবাসস্থল নষ্ট হচ্ছে। খাদ্য শৃঙ্খল ধ্বংস হচ্ছে। ফলে অনেক জীব পরিবেশ থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও পৃথিবীর তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে হিমবাহ গলে পানির উচ্চতা বেড়ে যাচ্ছে।
২) শব্দ দূষণ কী? শব্দ দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব কী?
উত্তর :বিনা প্রয়োজনে হর্ন বাজিয়ে ও উচ্চস্বরে গান বাজিয়ে, লাউড স্পিকার বা মাইক বাজিয়ে মানুষ যে দূষণের সৃষ্টি করে তাই শব্দ দূষণ।
শব্দ দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব : শব্দ দূষণ মানুষ ও জীবজন্তুর স্বাস্থ্যের ক্ষতি সাধন করে। শব্দ দূষণ মানুষের মানসিক ও শারীরিক সমস্যার সৃষ্টি করছে। অবসন্নতা, শ্রবণ শক্তি হ্রাস, ঘুমে ব্যাঘাত সৃষ্টি, কর্ম ক্ষমতা হ্রাস ইত্যাদি সমস্যা শব্দ দূষণের ফলে হয়ে থাকে।
৩) পরিবেশ সংরক্ষণ কী? আমরা কীভাবে পরিবেশ সংরক্ষণ করতে পারি?
উত্তর :প্রাকৃতিক পরিবেশের সুরক্ষা এবং যথাযথ ব্যবহারই হচ্ছে পরিবেশ সংরক্ষণ। অর্থাত্ বিভিন্ন উপায় অবলম্বনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক পরিবেশের অপচয় রোধ করে পরিবেশের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত
করাকে পরিবেশ সংরক্ষণ বলে।
বিদ্যুত্ বা জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে, কাজ শেষে বাতি নিভিয়ে রেখে, গাড়িতে চড়ার পরিবর্তে পায়ে হেঁটে বা সাইকেল ব্যবহার করে, পুনর্ব্যবহার করে ও রিসাইকেল করে আমরা প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ করতে পারি। তাছাড়া কাজ শেষে পানির কল বন্ধ রাখা, ময়লা-আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা এবং গাছ লাগানোর মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করাই হচ্ছে পরিবেশ সংরক্ষণ।
৪) মাটি দূষণ কেন মানুষের স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর?
উত্তর :বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর বস্তু মাটিতে মেশার ফলে মাটি দূষিত হয়। মাটি দূষণের ফলে জমির উর্বরতা নষ্ট হয়। দূষিত মাটিতে উত্পন্ন ফসল খাদ্য হিসেবে গ্রহণের ফলে মানুষ ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়। একারণেই মাটি দূষণ মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
৫) জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে কেন পরিবেশ দূষিত হয়?
উত্তর :বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পরিবেশ দূষণের অন্যতম কারণ। বর্ধিত জনসংখ্যার বাসস্থানের জন্য মানুষ গাছপালা কেটে ঘরবাড়ি তৈরি করছে। এছাড়া বাড়তি জনসংখ্যার খাদ্যের চাহিদা পূরণের জন্য জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক ব্যবহার করা হয়। ফলে পরিবেশ দূষিত হয়। তাছাড়া বাড়তি জনসংখ্যার চাহিদা মেটাতে অতিরিক্ত যানবাহন ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে এ থেকে নির্গত ধোঁয়া পরিবেশকে মারাত্মকভাবে দূষিত করে।