এমার্জিং কাপ

পাকিস্তানকে হারিয়ে সেমিতে বাংলাদেশ

স্পোর্টস রিপোর্টার

আরব আমিরাতের কাছে হেরে এসিসি এমার্জিং এশিয়া কাপ শুরু করেছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল। পরের দুই ম্যাচ জিতে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। গতকাল গ্রুপ পর্বের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে করাচিতে স্বাগতিক পাকিস্তানকে ৮৪ রানে পরাজিত করেছে বাংলাদেশ। এ জয়ে ‘বি’ গ্রুপ থেকে টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে উঠে গেল নুরুল হাসান সোহানের দল।

একই গ্রুপ থেকে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে থেকে শেষ চারে গেল পাকিস্তান। গ্রুপ পর্বে দুটি করে ম্যাচ জিতেছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। রান রেটে এগিয়ে থাকায় প্রথম স্থানে থাকল স্বাগতিকরা। টুর্নামেন্টের সেমিফইনাল ও ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে শ্রীলঙ্কায়।

অবশ্য গতকাল ম্যাচ জিতলেও সেমিতে ওঠা হতো না বাংলাদেশের। যদি আরব আমিরাত জয় পেত হংকংয়ের বিপক্ষে। কারণ তাদের রান রেটও ভালো ছিল। বাংলাদেশের ভাগ্য ভালো গতকাল আমিরাত-হংকংয়ের ম্যাচটি বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়েছে। পয়েন্ট ভাগাভাগি হয়েছে দুই দলের মাঝে। পয়েন্ট ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ায় সেমিতে উঠতে পারলো না আমিরাত।

দুটি করে ম্যাচ জিতে ‘এ’ গ্রুপ থেকে ইতোমধ্যে সেমিতে উন্নীত হয়েছে ভারত ও শ্রীলঙ্কা। সূচি অনুযায়ী আগামী ১৩ ডিসেম্বর কলম্বোতে দুটি সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হতে পারে ভারত বা শ্রীলঙ্কা। ১৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ইমার্জিং কাপের ফাইনাল।

করাচিতে গতকাল আগে ব্যাট করে পাঁচ উইকেটে ৩০৯ রান তুলেছিল বাংলাদেশ দল। হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন তিন ব্যাটসম্যান। ৪৮ রানের ওপেনিং জুটিতে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর দ্বিতীয় উইকেটে জাকির হাসান-নাজমুল শান্তর ৯৮ রানের যুগলবন্দি বাংলাদেশকে বড় স্কোরের ভিত গড়ে দেয়। জাকির ৬৯ রান, শান্ত ৪৯ রান করে ফিরেন। পরে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও ইয়াসির আলীর ঝড়ো ব্যাটিংয়ে এগিয়েছে বাংলাদেশের রানের চাকা। মোসাদ্দেক ৭৪ বলে অপরাজিত ৮৫, ইয়াসির আলীর ৪৬ বলে ৫৬ রান করেন। অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান অপরাজিত ছিলেন ৮ রানে।

ঘরের মাঠে ৩১০ রানের টার্গেট পাড়ি দিতে পারেনি পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-২৩ দল। বাংলাদেশের বোলারদের তোপে ৪৬.৫ ওভারে ২২৫ রানে অলআউট হয়েছে স্বাগতিকরা। খুশদিল শাহ ৬১, জিসান মালিক ৪৭, অধিনায়ক রিজওয়ান ৪৬ রান করেন। বাংলাদেশের নাঈম হাসান ৩৬ রানে তিনটি, মোসাদ্দেক-শফিউল দুটি করে, শরীফুল-তানভির-আফিফ একটি করে উইকেট পান। মোসাদ্দেক টানা দ্বিতীয় বারের মতো ম্যাচ সেরা হন।