ডিসেম্বরে বাণিজ্যিক উত্পাদন শুরু করতে যাচ্ছে ইডিসিএল

ইত্তেফাক রিপোর্ট

এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের (ইডিসিএল) গোপালগঞ্জ  কারখানা থেকে আগামী ডিসেম্বর মাসেই অ্যান্টিবায়েটিকের বাণিজ্যিক উত্পাদন শুরু হচ্ছে। এ বছরের শুরুতে উদ্বোধনের পর এই ইউনিট ১২ ধরনের অ্যান্টিবায়েটিক উত্পাদন করেছে। ইডিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রফেসর ডা. এহসানুল কবির বলেছেন, আগামী ২০২০ সালের ডিসেম্বরে আরো ৩টি ইউনিট বাণিজ্যিকভাবে উত্পাদন শুরু করতে পারবে।

তিনি জানান, গোপালগঞ্জের সেই ঘোনাপাড়াতেই ইডিসিএলের বড়ো কারখানা স্থাপতি হয়েছে। এর পূর্ব পাশেই রয়েছে নতুন রেল স্টেশন। ইডিসিএলের এই কারখানায় ৮০০ লোকের কর্মসংস্থান হবে। শুধু তাই নয়, এই শিল্প কারখানাকে ঘিরে আরো ১০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে এই অঞ্চলে। কাঁচামাল, খাবার, প্রিন্টিং, প্যাকেজিং, আবাসিক হোটেলসহ অনেক লিংকেজ শিল্পও গড়ে উঠবে। গোপালগঞ্জসহ দক্ষিণ বাংলার আর্থসামাজিক অবস্থায় অনেক পরিবর্তন আসবে।

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ইডিসিএলের এই প্রকল্পটি বাংলাদেশের সর্ববৃহত্ ওষুধ তৈরির কারখানা। যেখান থেকে বছরে ৩ হাজার ৩০০ মিলিয়ন জন্ম নিয়ন্ত্রণ ইনজেকশন, ৩ হাজার ২ মিলিয়ন পিল, ১৮১ মিলিয়ন পেনিসিলিন ট্যাবলেট, ২১৭ মিলিয়ন পেনিসিলিন ক্যাপসুল উত্পাদন সম্ভব হবে।

প্রফেসর ডা. এহসানুল কবির বলেছেন, আগামী বছরের জানুয়ারিতেই পর্যায়ক্রমে জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি ও ইনজেকশন, আইভি ফ্লুইড, ইন্টারফেনাস ইনজেকশন, আয়রন ট্যাবলেট এবং সব ধরনের স্যালাইন তৈরির বাকি তিনটি ইউনিট চালু করা হবে। এই তিনটি ইউনিটও আগামী ডিসেম্বরে বাণিজ্যিকভাবে উত্পাদন শুরু করবে। এতে দেশে ওষুধের চাহিদা অনেকটাই পূরণ হবে এবং রপ্তানি করা যাবে।