আমার মনেও প্রশ্ন এত লাখ টাকার মিউজিক ভিডিওর লগ্নি কোত্থেকে আসে:ন্যান্সি

অস্ট্রেলিয়ায় দ্বিতীয়বারের মতো পারফর্ম করতে যাচ্ছেন এদেশের শীর্ষ কণ্ঠশিল্পী ন্যান্সি। তবে এবারের কনসার্ট ট্যুর ন্যান্সির জন্য অন্যরকম ভালোলাগা। কারণ ন্যান্সির সঙ্গে স্টেজ শেয়ার করবেন তার কন্যা রোদেলা। রোদেলা হুট করেই মায়ের সঙ্গে গান গাইছে এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই। কারণ এরই ভেতরে রোদেলার গাওয়া দুটি গান প্রশংসিত হয়েছে বিভিন্ন মহলে।

ন্যান্সি বলেন, ‘মেয়েকে আমি কখনোই গানের ক্ষেত্রে প্রেসার দিইনি। নিজের স্বতঃস্ফূর্ততা থেকে গান গাইছে ও। আর অস্ট্রেলিয়ার আয়োজকরাও আগ্রহী হলেন। রোদেলা হয়তো কয়েকটি গান গেয়ে অনুষ্ঠানটি শুরু করবে। এরপর আমি গাইবো।’

এদিকে নিজের গান ও স্টেজে আবারো নিজস্ব ছন্দে ফিরেছেন ন্যান্সি। হাবিব ওয়াহিদের সুরে ন্যান্সির গাওয়া একাধিক গান এদেশের মেলোডি গানের মাইলস্টোন হয়ে থাকবে। অন্যদিকে দ্বৈত গানের জুটি হিসেবে হাবিব-ন্যান্সি জুটি এদেশে এক অনন্য রেকর্ড। সম্প্রতি হাবিবের কম্পোজিশনে তাদের পুরোনো দুটি গানের নতুন অ্যারেঞ্জমেন্টে গাইলেন ন্যান্সি। হাবিব-ন্যান্সির জনপ্রিয় গান ‘ঝরা পাতা’ আবারো নতুন অ্যারেঞ্জমেন্টে মুক্তি দেওয়া হবে হাবিব ওয়াহিদের নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে।

নিজের নতুন গানের ব্যস্ততা প্রসঙ্গে ন্যান্সি বলেন, ‘কাজ তো করছি নিয়মিতই। এছাড়া অনেকেই আমাকে বলেন নতুন গায়কদের সঙ্গে আমি কেন গান গাই। আমার কথা হলো, এক সময় আমিও তো নতুনই ছিলাম। আর এখন তরুণ গায়কদের অনেকেরই অনেক ফলোয়ার। সো তাদের এই ভক্তগোষ্ঠীকে অবজ্ঞা করার আমি কে! তাই আমি সকলকেই উত্সাহ দিতে চাই আমি।’

উল্লেখ্য, এদেশের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক নেওয়া শিল্পী হলেন ন্যান্সি। তবে গানের পাশাপাশি নারী উদ্যোক্তা হিসেবেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছেন। ফেসবুক বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলাদা আইডি না থাকলেও ভক্তদের সঙ্গে নিজের অফিসিয়াল পেজের মাধ্যমেই যোগাযোগ রাখছেন তিনি। যেখানে এদেশের অধিকাংশ শিল্পী বিশাল বাজেটের মিউজিক ভিডিও ছাড়া নিজের ক্যারিয়ারের কথা ভাবতে পারেন না সেখানে ন্যান্সি তার ক্যারিয়ারে সেই অর্থে মিউজিক ভিডিও ছাড়াই রাজত্ব করে যাচ্ছেন দীর্ঘকাল। ন্যান্সির বলেন, ‘আমার কাছে তো হিসেব মেলে না। প্রশ্নটা আমারও এত বাজেট কিভাবে পায় তারা। আমি তো অনেক পারিশ্রমিকে গান করি। তারপরও তো মিউজিক ভিডিও তৈরির সাহস করতে পারি না। সেখানে এত লাখ লাখ টাকার মিউজিক ভিডিওর লগ্নিকারী কারা সেটা আমারও জানতে ইচ্ছে হয়। কারণ এই লগ্নির টাকা তো উঠে আসা সম্ভব না।’