‘পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি রোধে নানা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি রোধে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। খুব শিগগির দাম কমে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে মিয়ানমার, মিশরসহ অন্য রপ্তানি কারক দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া টিসিবির মাধ্যমে পেঁয়াজ বিক্রি করা হচ্ছে।

গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে পেঁয়াজের বাজারদরের ঊর্ধ্বগতি রোধে আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বাণিজ্য সচিব বলেন, ভারতের মহারাষ্ট্রে বন্যা হবার কারণে পেঁয়াজের ফলন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে ভারত প্রতিটন পেঁয়াজের ন্যূনতম রপ্তানি মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে। আগে প্রতিটন পেঁয়াজের আমদানি মূল্য ছিল ২৫০ থেকে ৩০০  ডলার। এখন তা  ৮৫০ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে ভারত থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজের মূল্য কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পেঁয়াজ আমদানি ক্ষেত্রে এলসি মার্জিন এবং সুদের হার হ্রাস করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। বন্দরগুলোতে আমদানিকৃত পেঁয়াজ দ্রুত খালাসের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। পেঁয়াজ পরিবহন নির্বিঘ্ন করার জন্য  আইজিপিকে চিঠি প্রেরণ করা হয়েছে। আশা করছি, অল্প সময়ের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।