জাপানের বিদায়ি রাষ্ট্রদূত হিরো ইয়াসু ইজুমি ঢাকা ও টোকিওর সম্পর্ক যে কোনো সময়ের চেয়ে ঘনিষ্ঠ ও বিশেষ উচ্চতার বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, গত কয়েক বছরে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অনেক দূর এগিয়েছে ও বিশেষ তাত্পর্য পেয়েছে। জাপানের অর্থায়নে বড়ো বড়ো অবকাঠামো প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলছে। অনেক জাপানি কোম্পানি বাংলাদেশে বিনিয়োগ করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাপানে সফল সফর করেছেন। জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও একাধিকবার বাংলাদেশ সফর করেছেন।
জাপানি রাষ্ট্রদূত গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তার বারিধারার বাসভবনে বিদায়ি সংবর্ধনায় এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন। তিনি বলেন, জাপান বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু ও উন্নয়ন অংশীদার। স্বাধীনতার পরপরই ১৯৭২ সালে জাপান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ও কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে। ২০২২ সালে আমরা দুই দেশ কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পালন করব।
বর্তমানে বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি মেগা প্রকল্প জাপানের অর্থায়নে বাস্তবায়ন হচ্ছে। বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের ওপর আস্থার কারণেই এটা সম্ভব হচ্ছে।
জাপানি রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাপান বাংলাদেশের পাশে রয়েছে। বর্তমানের সভ্য দুনিয়া রোহিঙ্গাদের ন্যায় বিচার দিতে একটি স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করবে বলে বিশ্বাস করি। রোহিঙ্গাদের ও তাদের শিশুদের জন্য আশার আলো জ্বালাতে হবে।
সংবর্ধনায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোর্শেদ খানসহ বেশ কয়েকজন মন্ত্রী, রাজনীতিক, সংসদ সদস্য, কূটনীতিক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা যোগ দেন।