অ্যাওয়ার্ড পাওয়া থেকে এই মুহূর্তগুলো অনেক দামি

কণ্ঠশিল্পী তানজীব সরোয়ার। প্রতিবছরই তিনি নতুন নতুন মৌলিক গান শ্রোতাদের উপহার দেন। বর্তমানেও গান নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সম্প্রতি তিনি বিনোদন প্রতিদিনের মুখোমুখি হয়েছেন। কথা বলেছেন মিউজিক ইন্ডাস্ট্রির বিভিন্ন দিক, নিজের অবস্থান ও মৌলিক গান নিয়ে—

কেমন আছেন?

ভালো আছি সকলের দোয়ায়।

 

অনেকবছর ধরেই মিউজিক করছেন। এখন পর্যন্ত আপনার সবচেয়ে বড় সাফল্য কোনটি?

বড় সাফল্য বলে মনে করি যে, আমার গানগুলো সব ধরনের মানুষই শোনে। যেমন একদিন আমি রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম, এক রিকশাওয়ালা আমাকে বলেন, ভাই, ‘মিথ্যা শিখালি’ গানটি অনেক জোস। আমি মনে করি অ্যাওয়ার্ড পাওয়া থেকে এই মুহূর্তগুলো অনেক দামি।

 

অনেকে প্রতিষ্ঠিত শিল্পীই এখন নিজেরা ইনভেস্ট করছে ইন্ডাস্ট্রিতে। এমনকি নিজের প্রচারণা শুধু নিজেকেই করতে হচ্ছে। আপনার ক্ষেত্রে এমনটা হয়েছে কী? বিষয়টা আপনার চোখে কেমন?

আমি যখন ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন ছিলাম তখন স্বাভাবিকভাবে কিছুটা ইনভেস্ট করতে হয়েছে। এটা সবারই করা লাগে। কিন্তু এই সময়ে এসে আমার করার প্রয়োজন হচ্ছে না। যারা করছে সেটা তাদের বিষয়, আমি এ বিষয়ে বলতে চাই না। তবুও বলতেই হয়, প্রতিষ্ঠিত শিল্পীদেরই যদি ইনভেস্ট করতেই হয় তাহলে তো দুর্দিন আসন্ন! এটা দুঃখের বিষয়।

 

অনেকেই আরেকটা গানের সুর কিংবা কনসেপ্ট অনেকটা নকল করে নতুন গান করছেন। বিষয়টিকে আপনি কিভাবে দেখেন?

এটা আমার কাছে একেবারেই ভালো লাগে না। আমার নিজের গানের সঙ্গে আমার নিজের গান মিলে গেলেও আমি বাদ দিয়ে দিই। আর অন্যের সঙ্গে মিলে গেলে তাহলে নিজের কী থাকলো! মৌলিকত্ব বলতে তখন কিছু থাকে না। তবে অনুপ্রেরণা অন্য জিনিস।

 

অনেকেরই মৌলিক গান না থাকা সত্ত্বেও সারাবছরই স্টেজ পারফর্ম করছেন। সেদিক থেকে কী তানজিব সরওয়ার খানিকটা পিছিয়ে?

আমি বলবো যে সলো আর্টিস্টদের মৌলিক গান আছে, পারফর্মেন্সের জন্য তাদেরকে সিলেক্ট করাটা খুবই জরুরি। নতুন গান এলে কিন্তু জেনারেশন চেঞ্জ হবে না, নতুন কিছু পাবে না। যাদের মৌলিক গান নেই, বিভিন্ন রিয়েলিটি শো থেকে উঠে এসে যারা স্টেজ শো করছেন তারা সবার গানই গান। এভাবে তারা ইনকাম সোর্স তৈরি করছেন। অনেকে তো যাদের গান গান তাদের নামই বলেন না। এমন ভাব যে, এটা তার গান! এটা খুবই দুঃখজনক। আর আমি খুবই সিলেক্টিভ শো করি। এতে যদি আমার শো কমও হয় তাতে আমার কিছু যায় আসে না।